Bangladesh

কাদেরসহ ৭ নেতার মামলার যুক্তিতর্ক শেষ, রায় যেকোনো দিন | সংবাদ

ক দ রসহ ৭ ন ত র - জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ছয় শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে

Desk Bangladesh
Published August 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Techtaranga.com_1200x630_17869648636526_social
Foto : Michael Brown - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. কাদেরসহ সাত নেতার মানবতাবিরোধী মামলায় রায়ে অপেক্ষায় দেশ
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

কাদেরসহ সাত নেতার মানবতাবিরোধী মামলায় রায়ে অপেক্ষায় দেশ

Banglabeacon.com – ক দ রসহ ৭ ন ত র – জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ছয় শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির পুরো শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল, যার নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, এই বিচারিক ধাপের অবসান ঘোষণা করেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, রায়ে যেকোনো দিনই ঘোষণা হতে পারে।

প্রসিকিউশনের দাবি: পরিকল্পনা ও নির্বিচার গুলি

আদালতের সামনে যুক্তি উপস্থাপনকালে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একাধিক বৈঠকে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়েছিল। মামলায় জমা দেওয়া বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এসবের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান।

“আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়।”

সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি তুলে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালকে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগের প্রতিটিই প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে প্রসিকিউশনের পক্ষে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার দায়িত্বে তারা জড়িত।

“তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।”

জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের ব্যাখ্যা

পরবর্তী ধাপে জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ ধারণার আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম যুক্তি দেখান, আন্দোলন দমনে নেমে যদিও একজন লোক মারা গেলেও আসামিরা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।

প্রসিকিউশনের জবাবে প্রতিরক্ষা পক্ষের যুক্তি

ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও মোহাম্মদ আলী আরাফাতের পক্ষে আইনজীবী এম হাসান ইমাম প্রসিকিউশনের অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে দাবি করেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় শুট অ্যাট সাইটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর তিন মক্কেলের কেউই কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না।

“কমান্ড রেসপনসেবিলিটিতে একজনকেই আমি দায়ী করি। অতএব আমার মক্কেলরা কাউকে মারেননি বা মারার নির্দেশও দেননি।”

ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চার নেতার পক্ষে আইনজীবী ইশরাত জাহান তাঁদের নির্দোষতা দাবি করে আদালতকে জানান, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের তালিকায় তাঁর চার মক্কেল — সাদ্দাম, ইনান, পরশ ও নিখিল — এর নাম নেই। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অন্যরা।

“শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে আন্দোলন ঘিরে কিছু কথা উচ্চারণ করেছেন আমার মক্কেলরা। প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত কোনো ভিডিওতেই তাদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল না। এককথায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রমাণ দেখাতে পারেনি প্রসিকিউশন।”

ট্রাইব্যুনাল জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শুরু থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশে বিশৃঙ্খলা চলছিল, তাই কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

বিচার প্রক্রিয়ার পটভূমি

গত ২২ জানুয়ারি ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও ওয়ালি আসিফ ইনানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পলাতক এই সাত আসামির বিরুদ্ধে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ার সব ধাপ অতিক্রমের পর এখন পুরো দেশ চূড়ান্ত রায়ে অপেক্ষায় রয়েছে।

Frequently Asked Questions

What is ক দ রসহ ৭ ন ত র?

ক দ রসহ ৭ ন ত র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক দ রসহ ৭ ন ত র matter?

ক দ রসহ ৭ ন ত র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment