মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ককে জামায়াতে যোগদানের অভিযোগে বহিষ্কার
জ ম য় ত য গদ ন – চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিনকে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত সোমবার (১৮ মে) জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের জরুরি সভায় গৃহীত হয়। জামায়াতে যোগদানের কারণে তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য হিসাবে বহিষ্কৃত করা হয়, যেটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠনতন্ত্রের ২৯ (ঙ) ধারার মধ্যে বিধিবদ্ধ। এই সিদ্ধান্ত অনুসারে তিনি এখন সংসদের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না।
সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া ও অবহিতকরণ
সভায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয় যে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আদর্শ ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়, যেটি সামগ্রিক কমান্ডের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত। সভার পর সিদ্ধান্তটি কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে চিঠি দ্বারা জানানো হয়। এই ব্যবস্থা প্রয়োগের পূর্বে তিনি প্রতিবেদনের জন্য সংসদের সম্পাদনা বৌদ্ধিক মাধ্যমে অনুরোধ করেন। তবে তাঁকে সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া অনুসারে বহিষ্কৃত করা হয়।
জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতি আপত্তি জানানোর জন্য মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এ কার্যক্রম গৃহীত হয়। এটি আহ্বায়কদের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের সত্যতা পুনরায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়।
বহিষ্কারের পটভূমি ও অভিযোগ বিবরণ
জামায়াতে ইসলামী এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে মত প্রকাশের পর বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের স্থায়ী সদস্য ছিলেন। তিনি এ সংসদের অনুষ্ঠানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সহযোগিতা করেন। কিন্তু তাঁকে জামায়াতে যোগদানের কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে, যেখানে তিনি অনুসারীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন। সংসদ কমান্ড তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা আদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে দাবি করে।
সভাটি চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বরকন্দাজ। সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান সভার সঞ্চালনা করেন। সভায় জেলা কমান্ডের প্রায় সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য হিসাবে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি অবদান বিতরণের অধিকার হারাবেন। এটি বিশেষ করে কমান্ডের একটি প্রধান সদস্য হিসাবে তাঁর অবস্থান দুর্বল করবে।
জামায়াতে ইসলামী ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মধ্যে সম্পর্কের তীব্রতা বিশেষ করে বর্তমান স