Bangladesh

ফার্নেস অয়েলের দাম কমলো, লিটারে ৮ টাকা ৭১ পয়সা

ফ র ন স অয় ল র - বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আবারও ফার্নেস অয়েলের মূল্য হ্রাস করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এই জ্বালানির নতুন দাম নির্ধারণ

Desk Bangladesh
Published July 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

ফার্নেস অয়েলের দামে নতুন ছাড়, প্রতি লিটারে ৮ টাকা ৭১ পয়সা কমানো হলো

Banglabeacon.com – ফ র ন স অয় ল র – বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আবারও ফার্নেস অয়েলের মূল্য হ্রাস করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত এই জ্বালানির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটারে ১০০ টাকা ৩৯ পয়সা। এর আগে এই দাম ছিল ১০৯ টাকা ১০ পয়সা। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জারি করা এক আদেশে কমিশন এই তথ্য জানিয়েছে। ফার্নেস অয়েলের এই দাম কমানোয় শিল্প খাত ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে কিছুটা স্বস্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন মূল্য বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিইআরসি প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের দাম পর্যালোচনা করে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।

ক্রমিক মূল্য পরিবর্তনের ইতিহাস

গত ৩০ জুন সর্বশেষ ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়। তখন প্রতি লিটারের দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা থেকে কমিয়ে ১০৯ টাকা ১০ পয়সা করা হয়েছিল। এরও আগে এক দফায় প্রতি লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই ধারাবাহিক পরিবর্তনের মধ্যে বর্তমান কমানোটি উল্লেখযোগ্য।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো গণশুনানির পর বিইআরসি ফার্নেস অয়েলের মূল্য নির্ধারণ করে। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামার সাথে সমন্বয় করে প্রতি মাসেই এই জ্বালানির মূল্য পর্যালোচনা ও সমন্বয় করছে কমিশন। এই প্রক্রিয়ায় শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের প্রত্যাশা বিবেচনা করা হয়।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস অয়েল অন্যতম প্রধান জ্বালানি। এর দামের ওঠানামা সরাসরি বিদ্যুৎ বিলের ওপর প্রভাব ফেলে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফার্নেস অয়েলের মূল্য কমানোয় ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমতে পারে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ হ্রাস পেলে তা পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিলের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শিল্প খাতের ব্যবসায়ীরাও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

ফার্নেস অয়েল মূলত ভারী জ্বালানি তেল হিসেবে পরিচিত যা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে ব্যবহৃত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দামের ওপর এর দাম নির্ভর করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকায় ফার্নেস অয়েলের দাম কমানো হয়েছে।

বিইআরসির এই সিদ্ধান্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের জন্য স্বস্তির কারণ। ফার্নেস অয়েলের দাম কমানোয় উৎপাদন খরচ হ্রাস পেলে তা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আগামী দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওপর নজর রাখা হবে।

আরো পড়ুন: ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনে স্বস্তি মিলবে না আগস্টেও

Leave a Comment