যৌতুকের জন্য খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
য ত ক র জন য খ – যৌতুকের জন্য খুনের দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন করার সিদ্ধান্ত একটি সামাজিক আঘাতের পর পর একটি বিচার ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়েছিল। শামীমা পারভীন বিচারক সোমবার (১৮ মে) দুপুরে স্বামী শাহীন মীর মালতকে (৩৪) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা ঘোষণা করেন। এই আদেশের পিছনে দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ ও বিচার প্রক্রিয়া ছিল, যা বিবাহ পরবর্তী অত্যাচারের ক্ষেত্রে আদালতের দৃঢ় প্রতিবাদ দেখায়। এ ঘটনায় স্বামীর যাবজ্জীবন দায়ে স্ত্রীর জন্য খুন ঘটেছিল।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের চাপ চরমে পৌঁছেছিল
বিয়ের পর থেকে শাহীন মীর নির্যাতন বাড়িয়ে দেন। তার স্ত্রী স্মৃতি আক্তার (২২) যৌতুকের দাবিতে বিপদে পড়েছিলেন। নিহত স্মৃতি বাস করেন ডিক্রিরচর ইউনিয়নের সাঘা বিশ্বাসের ডাঙ্গী গ্রামে। তার পরিবার যৌতুক হিসেবে ১ লাখ টাকা দেন, কিন্তু কিছুদিন পর শাহীন মীর কিছু আরও বেশি টাকা দাবি করেন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার দিন স্মৃতিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। মরদেহ ঘরের চৌকিতে ধামাচাপা করে তিনি পালিয়ে যান। পরদিন পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনা দুর্বল স্ত্রীর জন্য যৌতুকের দায়ে অত্যাচার ঘটানো রাজি করেছিল।
মামলার প্রক্রিয়া ও বিচারের বিবরণ
নিহতের বাবা ফারুক মাতুব্বর ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। প্রতিবেদন বিচারের পর শাহীন মীর আসামি হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়। সেই মামলার �