কোটি টাকার জুয়ার সাইট চালাতো তারা | সংবাদ
সিআইডি আট জনকে গ্রেপ্তার করে জাল বিস্তার করেছে
ক ট ট ক র জ য় – অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি একটি সংগঠনের প্রতিদিন কোটি টাকা হাতিয়ে আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট মাধ্যমে অর্থ বিনিয়োগ করতে সাহায্য করার অভিযোগে মূলহোতাসহ আট জনকে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার রাজধানীর মালিবাগ সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ এই তথ্য ঘোষণা করেন।
“এই চক্রটি দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় জুয়া সাইট পরিচালনা করে আসছিল। ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ডিজিটাল হুন্ডি মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচার করা হতো।”
জাল বিস্তারের প্রক্রিয়ায় জুয়াড়িরা বিকাশ, রকেট এবং নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করে টাকা হস্তান্তর করতে সক্ষম হতো। সিআইডি জানায়, সাইবার মনিটরিং সেল দ্বারা নজরদারির ফলে পল্টন মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করা হয়। পরবর্তী প্রক্রিয়ায় ময়মনসিংহ এবং কিশোরগঞ্জ থেকে চার জন এবং নরসিংদী এবং ঢাকার ধানমন্ডি থেকে বাকি চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অর্থ পাচার কাজে নিয়োগ করা হয়েছিল সাইট চালানোর মাধ্যমে
অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি প্রধান জানান, “অনলাইন গ্যাম্বলিং এবং ডিজিটাল হুন্ডি প্রক্রিয়া সঙ্গে তারা সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল।” তিনি আরও বলেন, “প্রায় ৬ মাস ধরে প্রতিদিন আনুমানিক ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো। অর্থ বিদেশে পাচার করা হতো ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ডিজিটাল হুন্ডি মাধ্যমে।”
অভিযুক্ত কর্মসূচি সম্পর্কে সিআইডি জানায়, মোবাইল ফোন, সিম কার্ড এবং ভুয়া এজেন্ট সিম পাঠানোর রশিদ জব্দ করা হয়। এই অপারেশনে কোটি টাকার পরিমাণ ফেরত পেতে বিএফআইইউ এবং আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি তালিকা
গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে: মো. আশরাফ উদ্দীন আহম্মেদ, সজীব চক্রবর্তী, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. জসীম উদ্দীন, তৈয়ব খান, সৌমিক সাহা, মো. কামরুজ্জামান এবং আব্দুর রহমান।