চীনা জামাই দেখতে কুড়িগ্রামে উৎসুক মানুষের ভিড়
খাতুন মোর্শেদার সঙ্গে চীনা জামাই বিয়ে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ
চ ন জ ম ই দ খত – চীনা জামাই দেখতে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ধর্মপুর কালিয়াটারি গ্রামে রোববার সকালে ভিনদেশি জামাই আসার খবর ছড়িয়ে পড়াতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসুকতা বৃদ্ধি পায়। গত শনিবার কুড়িগ্রামে চীনা জামাই মোর্শেদার সঙ্গে প্রথমবারের মতো আসেন চীনের শানডং প্রদেশে থাকা নাগরিক আন হুং ওয়েই (৩৯)। তিনি ঝাওঝেন গ্রামের বাসিন্দা এবং ঢাকার সাভারে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেখানে গত বছরের ৩ এপ্রিল তিনি চীনা জামাই মোর্শেদার সঙ্গে পরিচয় গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ক প্রাথমিক পরিচয় হতে বিয়ের পর্বে পৌঁছেছে এবং দম্পতি আগামী ৩০ মে চীন ছাড়বেন।
গত ৯ মে ঢাকার একটি আদালতে চীনা জামাই ও মোর্শেদা খাতুনের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান নাঈম জানান, চীনা জামাই আসার খবর পেয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিশেষ উৎসুকতা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশীদের মধ্যে আন হুং ওয়েইয়ের মুসলিম পরিবারের সম্পর্ক প্রসঙ্গ করে না বলে তিনি জানান, এই বিয়ে চীনে ও বাংলাদেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তিনি দাবি করেন, চীনা জামাই এবং স্থানীয় মহিলার মধ্যে সম্পর্ক নতুন একটি সামাজিক বিপ্লব ঘটাচ্ছে।
মোর্শেদা খাতুন বলেন, ‘আমি স্বামী আন হুং ওয়েইয়ের কুড়িগ্রামে উৎসুক মানুষের ভিড় দেখতে খুবই উৎসুক। তিনি ভালো মনের মানুষ। আমার স্বামী মুসলিম পরিবারে আসেন এবং তার সঙ্গে আমি সুখী হব বলে বিশ্বাস করি।’ তিনি জানান, বিয়ের পর তারা চীন থেকে বাংলাদেশে আসার পর বাড়িতে সম্পন্ন করবেন অনুষ্ঠান। এই বিয়ে কুড়িগ্রামে বিশেষ সংবাদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চীনা জামাই ও স্থানীয় মহিলার মধ্যে সম্পর্ক।
‘আমি মোর্শেদাকে চীনে আমার বাড়িতে নিয়ে যেতে চাই। সে আমার সঙ্গে সেখানে ভালো থাকবে।’
আন হুং ওয়েইয়ের কথায় দেখা যাচ্ছে তারা সংস্কৃতি ও মানবতার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রতিবেশীদের কাছে চীন থেকে পরিচয় গড়ে ওঠার মাধ্যমে তার স্থানীয় বাসিন্দা বুঝতে পারেন। এই সম্পর্কের মধ্যে সংস্কৃতির মিশ্রণ এবং সম্মান রক্ষার বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
চীনা জামাই আসার পরিপ্রেক্ষিতে কুড়িগ্রামের সামাজিক বিপ্লব
চীনা জামাই আসার খবর কুড়িগ্রামে দেশবিদেশের মানুষের মধ্যে নতুন আলোচনা উপস্থিত হয়েছে। অনেক স্থানীয় বাস