ফাইনালের যত রেকর্ড
Banglabeacon.com – ফ ইন ল র যত র কর – মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবল বিধাতা নিশ্চয় একটি অসাধারণ ঘটনার স্ক্রিপ্ট তৈরি করেছিলেন। স্পেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে যে একটি রেকর্ড তৈরি করেছে, তার মূল চুক্তি ছিল দীর্ঘ ৩৯ দিনের মর্যাদার জন্য রেকর্ড ভাঙার বিষয়টি। টুর্নামেন্টে কোনো দল একবারও গোল হারিয়েছে না, যার বিশ্ব রেকর্ড ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ক্লিন শিট।
গোলে রাজত্ব স্পেনের
ফাইনালে মুখোমুখি হওয়া দুই দলের সবচেয়ে বড় ক্ষণে এমন একটি গোল পড়েছিল যা বিশ্বকাপের পুরো ইতিহাসে স্বীকৃত ছিল কোনো দলের গোল হারিয়েছে না বলে। মেসি এবং ইয়ামালের বয়সের ব্যবধান ছিল প্রায় ২০ বছর। মেসি নামে ফুটবল ইতিহাসে তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরুর একাদশে খেলোয়াড় হিসেবে অবিস্মরণীয় হয়েছিলেন।
ফুটবল বিধাতা যেন স্পেনের অদম্য ইচ্ছা আর নির্ভীক ফুটবলেরই পুরস্কার দিলেন।
ম্যাচ শেষ করেছে ফেরান তোরেসের গোল। অতিরিক্ত সময়ে সেটি জালে জড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেকর্ড ভাঙে। এবার ইয়ামাল ফুটবলের চতুর্থ কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখেন। যিনি একই সাথে ইউরো আর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হন।
ইতিহাসে রেকর্ড কেন ভাঙল
স্পেন দীর্ঘ ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছিল। ইতালির পুরাতন রেকর্ড ছিল সেই সংখ্যা ভেঙে ফেলে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে সেই সময় হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর। এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্পেনের রক্ষণ সর্বোচ্চ দুর্ভেদ্য হিসেবে রেকর্ড রয়েছে। এই মাঝমাঠে সেই রেকর্ড তৈরি হয়েছিল কুবারসি জিতে যাওয়া পারফরম্যান্সের জন্য।
আর্জেন্টিনার মাঝমাঠে রূপকথা হিসেবে কেবল একটি গোলই পড়েছিল কোনো দলের। মার্তিনেজ তাদের গোলপোস্টের নিচে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি ভাঙেন গত ৬০ বছরের রেকর্ড, যেখানে ফাইনালে কোনো শট না রাখা ছিল।
টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত ঘটনা
অপেক্ষার পর দ্বিতীয় অর্ধেক শুরু হলো যখন বিরতির সময় স্থায়ী হয়েছিল ২৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ড। সাধারণত ম্যাচের প্রথমার্ধের পর আসে বিরতি কিন্তু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে জমকালো বিনোদনের কারণে সেটি পরিবর্তিত হয়। যার ফলে মাঠে নেমে আসে দুই দলের নতুন রণকৌশল।
গোল্ডেন বল এবং গোল্ডেন গ্লাভস উভয় পুরস্কারই স্পেনের কাছে ছিল। রাজত্ব ছিল মাদ্রিদ থেকে বার এমবাপে কিন্তু সেই রেকর্ড পরিবর্তনে ইয়ামাল আর কুবারসি জয় পেল। এবারের বিশ্বকাপ ছিল মাঠের ফুটবল আর বাইরের ঘটনার জন্য স্মৃতিজনক।
ফাইনালে কোনো দলের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো স্পেনের ইতিহাসে রেকর্ড ক্লিন শিট। সেটি কিন্তু কেবল মাঠে নয়, পরিসংখ্যানেও প্রমাণ ছিল। টুর্নামেন্টে এক গোল না হারি�
