নির্যাতিত কিশোরীকে দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিচার দেওয়া হলো
দ র ঘ ১৫ বছর পর ব – দীর্ঘ ১৫ বছর পর ঠাকুরগাঁও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্যাতিত কিশোরীর বিচার পেয়েছে। বিচারক আলী মনসুর জেলা ও দায়রা জজের নির্দেশে এই মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় বিচারাধীন ছিল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালু এই তিনজন আসামি। তাদের বিরুদ্ধে দুপুরে ঘোষিত আদালতের রায় অনুযায়ী তিন আসামি প্রতিটিকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড পেয়েছে। আদালত ঘোষণা করেছেন যে দীর্ঘ ১৫ বছর পর দাঁড়ানো আসামিদের জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ বা রেয়াতের কোনো সুবিধা নেই।
অপরাজেয় কিশোরী কেন এতগুরুতর সমস্যায় জড়িত হয়েছিলেন
বিচারাধীন কিশোরী এক বছর বয়সী ছিলেন যখন তাকে ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রলপাম্পের কাছ থেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফিরছিলেন এবং পথে বিচারাধীন হয়েছিলেন যেখানে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে তিনি জুন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পুনরুত্থানের জন্য দীর্ঘ সময় সেবা করেছেন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই মামলা সমাপ্ত হয়েছে যা সামাজিক ও আইনী উভয় দিকে স্থায়ী পরিবর্তন সৃষ্টি করেছে।
বিচারের চেহারা ও সময়কাল
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় এই মামলাটি সংগ্রামের সময় সম্পূর্ণ আর একটি নতুন সংকট হয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আদালত বিচার ঘোষণার পর সাধারণ মানুষের প্রতি সামাজিক আন্দোলন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিচারক আলী মনসুর জজ তার বিচারাধীনতার চেহারা সম্পর্কে বিশেষ পরিচয় দিয়েছেন যে এটি অতীত সংঘটিত ঘটনার ফলাফল বুঝতে সাহায্য করবে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আওতায় আসামিরা কী করে দীর্ঘ সময় পর জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ করা হয়নি সে বিষয়ে কথা বলেছেন।