স্টুডেন্ট ভিসার প্রতারণায় মোট ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে
স ট ড ন ট ভ স – বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্টুডেন্ট ভিসার নামে প্রায় ৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মামলার মূল আসামি সহ চারজনকে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। পুলিশ এর আগে সাড়ে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আসামিদের আদালতে হাজির করে। রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে চার আসামির জন্য, যারা হলেন- মামলার মূল হোতা মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ওরফে মতিউর রহমান, রাবেয়া খাতুন তানিয়া, সাইদুর রহমান ও মো. তানজির ইসলাম। আদালত তানজিরের জন্য ৪ দিন এবং বাকি তিন আসামির জন্য ৫ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, দুটি প্রতিষ্ঠান হলেন- ভিসা গাইড ও জাস্ট থট এডুকেশন কনসালটেন্ট। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ভিসার নামে শিক্ষার্থীদের বিদেশে পাঠানোর কথা ঘোষণা করে কোটি টাকার প্রতারণার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের সাড়ে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেখানে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। আসামিদের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে স্টুডেন্ট ভিসার চার আসামি মুক্তির আবেদন করেছিলেন।
গত ৮ জুলাই ভাটারা থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী আল আমিন। এই মামলায় এখনও স্টুডেন্ট ভিসার মূল আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কর্তৃক পরীক্ষা করে স্টুডেন্ট ভিসার সংকট খুব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আসামিরা আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত দেওয়া এবং প্রতারক চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্টুডেন্ট ভিসার ব্যবস্থায় সাধারণত প্রতি ছাত্রের জন্য প্রায় ৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হত। যার ফলে শিক্ষার্থীদের নিজেদের মুক্তির আশায় নিয়ে সাড়ে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
আদালতে হেলমেট পরা আসামির জন্য উত্তেজনা ছড়িয়েছে
রিমান্ডের আদেশের পর আসামিরা হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা হয়ে আদালত প্রাঙ্গণে আসে। স্টুডেন্ট ভিসার কারণে শিক্ষার্থীদের সাড়ে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। আদালতের প্রাঙ্গণে ভুক্তভোগীরা উত্তেজনা প্রকাশ করেন। স্টুডেন্ট ভিসার ব্যবস্থার সাথে পরিচিত হয়েছে অনেকে। যারা বিদেশে শিক্ষা প্রাপ্তির সুযোগ করেছিলেন স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে।
যারা প্রায় ৮ কোটি টা�