চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশ
প্রয়োজনীয় পরিবেশ না থাকলে বিকাশে বাধা
চ ই শ শ র ন র – চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশ নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। গত শুক্রবার রাজধানীতে খেলাঘরে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা শিশুদের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশের অভাব তুলে ধরেন। দেশের প্রায় ১০ হাজার স্কুলে খেলার মাঠ রয়েছে না, যা শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক পরিবেশ সুনির্মল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেলার মাঠ নেই মানে তাদের বুদ্ধি ও প্রযুক্তি বিকাশে আসক্তি হতে বাধা দেয়, এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা চিন্তা করছেন। শিশুদের শিক্ষা ও বিকাশের জন্য যথেষ্ট সুযোগ না থাকলে তাদের ভবিষ্যতে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি স্পষ্ট করা যেত। সেমিনারে আলোচিত হয়েছিল যে শিশুদের প্রতি সমাজে প্রচুর ঝুঁকি ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্ষণ, পাচার, শিশুশ্রম, অপুষ্টি ও মানসিক নির্যাতনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিকাশ সম্পূর্ণ বাধা হতে পারে। প্রতি দশটি শিশুর নয়টি মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনের শিকার, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সংকট সৃষ্টি করছে। কিছু পরিবার মারধর না করলে শিশু পড়বে না এ ধারণা দূর করা আবশ্যক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
শিক্ষা প্রক্রিয়ায় কোন গ্রাহক সুযোগ নেই?
চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশের জন্য শিক্ষাক্রম গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পাঠ্যক্রম শিশুদের আবেগ বা বুদ্ধির বিকাশ উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে সরকার ও স্থানীয় পরিবারগুলো সামনে আছে। অনেক স্কুলে খেলার মাঠ নেই এবং শিশুদের দিনে প্রায় ২-৩ ঘন্টা বাইরে বেরোনো সুযোগ নেই। এ কারণে তাদের স্বাধীনতা ও অপরাপর শিক্ষার সুযোগ হ্রাস পাচ্ছে।
চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। কিছু শিক্ষক ও পরিবারের কাছে শিশুদের বিকাশ সম্পর্কে সচেতনতা অনেক কম। শিশুদের জন্য খেলার মাঠ বা সুবিধাসমূহ অনুপলব্ধ হওয়া অপরিচিত পরিবেশে তাদের আত্মবিশ্বাস ক্ষীয়মান হয়। যেমন একটি অনুসন্ধান করা হয়েছিল যে এক হাজার শিশু তাদের প্রয়োজনীয় সময় খেলার জন্য পায় না। এ ধরনের ক্ষেত্রে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিপর্যয় ঘটছে।
চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশে বিশেষ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন। স্কুলগুলো এবং বাড়িগুলোতে সুবিধা না থাকলে শিশুর বিকাশ সম্পূর্ণ আটকে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি শিশু জন্ম থেকে কমপক্ষে ২ ঘন্টা প্রতিদিন খেলা করে বুদ্ধি ও প্রযুক্তি বিকাশে সহায়তা করে। কিছু স্থানে প্রতিদিন খেলার সুযোগ না থাকলে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেমিনারে উপস্থিত প্রতিবেদকরা মনে করছেন, সরকার বা বিশিষ্ট সংস্থা সম্প্রতি শিশুদের বিকাশে নতুন প্রকল্প চালু করা আবশ্যক।
চাই শিশুর নিরাপদ বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং শিশু সমাজে পরিবর্তন আনতে সমস্ত মানুষের মনোযোগ প্রয়োজন। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক সুযোগ না থাকার কারণে তারা দুর্বল হয়ে সমাজে ঝুঁকির মুখে পড়ে। সেমিনারে আলোচিত হয়েছিল যে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ শিশু বাইরে