News

৭৩৭ টাকার জন্য তারা দিনে ১০ ঘণ্টা রোদে পুড়ছেন

৭৩৭ টাকার জন্য তারা দিনে ১০ ঘণ্টা রোদে পুড়ছেন ৭৩৭ ট ক র জন য ত - প্রতিবেদনে আলোচিত হয়েছে ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় রোববার দুপুরে সবুজ হোসেন কে দেখা গেছে। তার

Desk News
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

৭৩৭ টাকার জন্য তারা দিনে ১০ ঘণ্টা রোদে পুড়ছেন

৭৩৭ ট ক র জন য ত – প্রতিবেদনে আলোচিত হয়েছে ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় রোববার দুপুরে সবুজ হোসেন কে দেখা গেছে। তার বয়স পঞ্চাশ ছুঁয়েছে। পরিচিত পাঞ্জাবি ঘামে ভিজে গায়ে লেপ্টে আছে। দিনে দশ ঘণ্টার বেশি সময় তিনি রিকশা চালাচ্ছেন। আপনার কেমন আছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “দিন যত যাইতেছে, কষ্ট বাড়তেছে। বয়স হইছে তো। গরম আর সহ্য হয় না।”

গবেষণার মূল বিষয় ও প্রকৃতি

ঢাকার প্রায় ১২ লাখ রিকশাচালকের সম্পর্কে এমন গল্প শোনা যায় সবুজের মতোই। এই সম্পর্কে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য এসিএম অন ইন্টারঅ্যাকটিভ, মোবাইল, ওয়্যারেবল অ্যান্ড ইউবিকুইটাস টেকনোলজিস-এ। এটি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ক্যালিফোর্নিয়া সান ডিয়েগো ও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় এর সহযোগিতায় করা হয়েছে।

গবেষণার তথ্য ও মূল্যায়ন

প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ঢাকার ১০০ জন পুরুষ রিকশাচালকের উপর। তাদের হাতে ওয়্যারেবল সেন্সর দেওয়া হয়, যা শরীরের তাপমাত্রা, হৃৎস্পন্দন, ঘামের প্রতিক্রিয়া ও গতিবিধি নির্ধারণে সাহায্য করে। গবেষকদের মতে প্রতিটি রিকশাযাত্রার গড় সময় ১৮ দশমিক ৯ মিনিট। দিনে তারা গড়ে ১০ ঘণ্টা কাজ করেন এবং প্রতিদিন আয় করেন প্রায় ৭৩৭ টাকা।

“বৃহত্তর অর্থে, আমরা মানুষের প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতার একটি ডিজিটাল টুইন বা ভার্চ্যুয়াল প্রতিরূপ তৈরি করতে চাই। রিকশাচালকদের নিয়ে এই গবেষণা সেই বৃহৎ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”

গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে সাধারণ অবস্থায় মানুষের ত্বকের তাপমাত্রা কমপক্ষে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকে। কিন্তু রিকশাচালকদের ক্ষেত্রে অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময়ে তাপমাত্রা যখন ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে, তখন শরীরের ভেতরে তাপ বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। আর্দ্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হৃদযন্ত্রের চাপ বাড়ে। বয়স্ক চালকদের ক্ষেত্রে এই চাপ আরও বেশি দৃঢ়।

আর্থিক প্রভাব ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

আর্থিক ধারণায় স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়,

Leave a Comment