হবিগঞ্জে চাহিদার চেয়ে বেশি কোরবানির পশু
হব গঞ জ চ হ দ র – হবিগঞ্জ জেলায় এবার কোরবানি দিবসে পশু মজুত বেশি হওয়ায় খামারিরা লাভের আশা করছেন। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এই বছর চাহিদা ছিল ৪৬ হাজার ৫০টি পশু কিনতে ব্যবস্থা। কিন্তু প্রস্তুত পশু সংখ্যা ছিল ৫০ হাজার ১৩৫টি যার ফলে বাজারে প্রায় ৪ হাজার ৮৫টি পশু অতিরিক্ত থাকবে।
খামারিরা আশা করছেন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশি গরু প্রবেশ না করলে তাঁরা ভালো দাম পাবেন। চাহিদা মেটানোর পর বাকি পশুগুলো রাজধানী এবং অন্যান্য জেলায় পাঠানো সম্ভব বলে খামারিরা ধারণা করছেন।
খামারির খরচ বৃদ্ধি করছে
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের খামারি মো. তুহিন মিয়া জানান, ষাঁড় লালন-পালনে প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, এখন বাজার দ্বারা সব আশা নির্ভর করছে।
পশুখাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অসাধু সিন্ডিকেটের প্রভাবে খরচ অনেক বেড়েছে। বিদেশি গরু বাজারে না আসলে আমরা কিছুটা লাভের মুখ দেখব, বলে আরেক খামারি জোবায়ের আহমেদ।
খামারিরা অভিযোগ জানিয়েছেন যে গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশের কারণে তাঁদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রশাসন প্রতিবেদন দিচ্ছেন
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, খামারিরা সহযোগিতা পাচ্ছেন। সীমান্ত পথে অবৈধ গরু প্রবেশ বন্ধ করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, পশুর হাটে অসুস্থ বা ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগ করা পশু বিক্রি থেকে রোধ করতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম জানান, হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে একাধিক টহল টিম মোতায়েন থাকবে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সন্দেহজনক লেনদেনে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।