মনপুরা দ্বীপে বিদ্যুৎ বিতরণ প্রকল্প চালু হয়েছে
স বম র ন ক য বল – ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে মেঘনা নদীর পারে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের আলো এবং আশার উদ্ভাস করেছে। সরকারের এই মেগা প্রকল্প যখন অনুমোদন পেয়েছে, তখন প্রায় ৯০ হাজার দ্বীপবাসীর জীবন ধরে উন্নয়নের সামনে আছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রকল্প
ভোলা-৪ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের বিশেষ উদ্যোগে এই প্রকল্পটি আগে থেকে গুরুত্ব দিয়ে চালিত হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নিরলস ভাবে সংস্কৃতি ও অর্থনীতি বিকাশের জন্য চালু করেছেন ক্রমবর্ধমান প্রচেষ্টা।
বিদ্যুৎ বিভাগ প্রকল্পটি দ্রুত পরিচালনা করেছে এবং এখন বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে দিয়ে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ প্রবহমান হবে। এই বিষয়ে সদস্য নয়ন বলেন, “নির্বাচনের সময় মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে অঙ্গীকার করেছিলাম, এটি প্রতিফলন করছে আমার এই বিশেষ প্রচেষ্টাকে। এখন মেঘনার তলদেশ দিয়ে ক্যাবল আনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল যা বর্তমানে সমাপন করা হয়েছে।”
প্রকল্পের বিস্তার
বিদ্যুৎ বিভাগ প্রকল্পটি চালু করেছে যেখানে মনপুরার সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা ও সরবরাহ করা হবে। সংসদ সদস্য নয়নের দৃঢ় নেতৃত্বে এই ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয়দের কাছে নতুন সুবিধা আসবে। এতে ডিজেল চালিত জেনারেটর থেকে ছাড়িয়ে স্থায়ী বিদ্যুৎ পাবে দ্বীপবাসী।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপডিকো) আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে এবং আগামী ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদন জমা দিতে পারবে। বিদ্যুৎ বিতরণ প্রকল্পের আওতায় মেঘনা নদীর পারে প্রতি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে চারটি রান সহ মোট ২৮ কিলোমিটার ক্যাবল স্থাপন করা হবে। একাধিক বিশেষ স্থাপন করা হবে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে।
বিশেষ করে মনপুরার হিমায়িত মৎস্য শিল্প, পর্যটন ও স্থানীয় ক্ষুদ্র শিল্পে নতুন গতির সঞ্চার ঘটবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন আনন্দের জোয়ার। তারা বলছেন, সঠিক নেতৃত্বের কারণে দীর্ঘদিনের অন্ধকার ঘুচিয়ে মনপুরা এখন আলোর পথে যাত্রা শুরু করছে।