শ্রমবাজারে ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিন
শ রমব জ র ঝ ক ম – বাংলাদেশের সামগ্রিক জীবিকা বহুলাংশে শ্রমিকদের উপর নির্ভর করে। তাই শ্রমবাজারের অস্থিরতা সামগ্রিক পরিবারগুলোর জীবন জোগায় নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করে। মধ্যপ্রাচ্য এবং উপসাগরীয় দেশগুলো বাংলাদেশের প্রধান শ্রম সরবরাহকারী। ইরান সংকট প্রাচ্যের এই শ্রমবাজারে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে, যেখানে কর্মসংস্থান কমে গেছে এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা হারিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের কিছু কিছু দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাদের পরিবার ও আর্থিক পরিস্থিতি খুব দুর্বল হয়ে আসছে।
শ্রমিকদের বিপন্নতা বৃদ্ধি পেয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বেশির ভাগই মানুষ বা কাজের নিম্ন ব্যয়ে প্রাচীর কর্ম করে। তাদের মধ্যে অনেকে ঋণ করে এগুলো করে এবং যখন কাজ ছাঁটাই করা হয়, তখন পরিবারের উপর মাথাচাড়া দিতে হয়। ইরান সংকট প্রতিটি শ্রমবাজারে এমন বিপর্যয় আনতে পারে যে তা কিছু কিছু পরিবারের জীবনে বিপত্তির রূপ ধারণ করে। তাদের কর্ম স্থায়ী হয়ে উঠছে না, মাসের চাকরি চলছে কম। শ্রমবাজারে ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিন এ বিষয়ে কোনও কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া দরকার।
অতিরিক্ত ঝুঁকি কমানোর জন্য কর্মিদের পুনর্বাসন প্রয়োজন
আবার কোরোনা মহামারির সময়ে দেশে ফিরে আসা শ্রমিকদের অনেকে প্রাচীর কর্মের পরিবর্তে স্থায়িত্ব পায়নি। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিন কর্ম সরবরাহে পূর্বাভিমত করা দরকার। সংকটে শ্রমিকদের সমৃদ্ধি রাখতে হবে যাতে তাদের অবস্থান সুরক্ষিত থাকে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত শ্রমিকদের কাছে জরুরি সহায়তা প্রদান করা আবশ্যক। কোনও শ্রমিক কোথায় আছেন এবং কী অবস্থায় আছেন তা নির্ধারণ করতে হবে।
প্রবাসী শ্রমিকদের বেশির ভাগই নিরাপত্তাহীন অবস্থায় থাকে। এসব শ্রমিকের পুনর্বাসন করতে হবে, যাতে তাদের জীবিকা স্থিতিশীল হয়। বাংলাদেশের শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুধু শ্রমিক ফিরিয়ে আনাই যথেষ্ট নয়। প্রতিটি পরিবারের প্রাচীর কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমবাজারে ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিন এ বিষয়ে কোনও সময়ের পরিকল্পনা অবশ্যই প্রয়োজন।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে
বাংলাদেশের কর্মপরিস্থিতি গুরুতর অস্থিতিশীল হয়ে আসছে। এখন কর্মীদের পুনর্বাসন এবং নতুন কর্ম সরবরাহ করার জন্য সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকদের কাছে আরও পরিকল্পনাগুলো অবশ্যই প্রয়োজন। তাদের কাছে সম্পূর্ণ সহায়তা দেওয়া সম্ভব করতে হবে। কোনও কারণে তাদের কাজ বন্ধ হয়ে গেলে দেশে ফিরে আসার ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক।
সংকটে শ্রমিকদের অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। দূতাবাস বা বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে তা সম্পন্ন করা যেতে পারে। শ্রমবাজা�