শাহরুখ-কাজলের সেই বলিউড কি শেষ!
শ হর খ ক জল র স – নব্বই দশকে বলিউড ছিল এক মুগ্ধকর অভিজ্ঞতা। সেসব সিনেমার সুরে শাহরুখ খানের বিশাল রোমান্স সৃষ্টি করেছিল দুই হাত প্রসারিত চরিত্রগুলো। সালমানের খাটো পেশি আর আমিরের চকোলেট বয় ছবির স্বাদ গ্রাহকদের হৃদয়ে আঁকা ছিল। তার সাথে সাথে মাধুরী ও কাজলের ছোট ছোট চোখের নাচের গুণমান কাজ করত না। ক্যাসেট দোকানে নদীম-শ্রাবণ, জতিন-ললিত আর এ আর রহমানের সুরে গানগুলো বাজত বিশাল আলোচনা। সিনেমাগুলোতে মাধুরীর মতো নায়িকাদের কন্ঠে বাজত ছিল জাতীয় গন্ধে ভরপুর ছবি। বাড়িতে পরিবারের মাটি থেকে উঠে আসা কথাগুলো নব্বই দশকে প্রাণ জাগিয়ে তুলত।
বর্তমানে বলিউডের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। টাকার মার্কিন জাতীয় মানের আস্থা আর করপোরেট নির্ভরতা বাড়ছে। গল্পের চেয়ে বড় তারকা, অ্যাকশনের চেয়ে বড় ভিএফএক্স, আর স্টার নির্ভরতা নিয়ে দর্শকের বিষয় হয়েছে অনেক বেশি। বিগত বছরে পাঠান, জওয়ান, টাইগার ৩ এসব ছবি আকর্ষণীয় ব্যবসা করেছে, কিন্তু সেখানে শাহরুখ ও সালমানের কারিশমা দেখেছেন দর্শকরা, গল্প দেখেননি। এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে গিয়ে সিনেমা দেখা এখন হয়েছে আকর্ষণ মাত্র।
আগে কুছ কুছ হোতা হ্যায় এর তুম পাস আয়ে তো আজও বাজলে চোখ ভিজে যায়।
ছোট বয়েসে যেসব সুরে সেন্সোরি অনুভূতি উপলব্ধি করতে হত, আজ তার অভাব হয়েছে। এ আর রহমানের সুর আর মাধুরীর ছবির কথা আজ নেই মনে রাখার সুযোগ হয়নি। এখন ক্যাসেট হারিয়েছে স্পটিফাই হাতে। গানগুলো দু-সপ্তাহ পরে মানুষ ভুলে যায়।
সেই ছোট বালিকা আর ছোট ছেলের গল্প আর নেই সিনেমার মূল ধারায়। বাজেট বাড়িয়ে সাউথ ইন্ডিয়ান ছবি যেমন পুষ্পা, আরআরআর, কেএফসি হাজির হয়েছে বিশ্বজয় করে। তাদের ছবিগুলোতে বাড়ি বাড়ি গল্প আছে, কিন্তু বলিউড পশ্চিমের প্রতিযোগিতায় ছুটছে। প্রতিভাহীন পরিচালক ও প্রযোজক এখন বাণিজ্যের গুরুত্ব হারিয়েছে।
নব্বই দশকের বলিউড এখন কোন বিশেষ আশা ছাড়া হয়েছে যেন আরেক নব্বই দশকের জুটি। তার সাথে সাথে তরুণরা সেসব ইতিহাস জানে না। দর্শক এখন গল্প চায়, চাকচিক্য নয়। তাই ওয়েব সিরিজ বে