লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার
ল খ ইয় ট রল র থ – লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশটি মরা গাং নদীতে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি লাখাই উপজেলার ভলাকান্দি সেতু সংলগ্ন মরা গাং নদীতে ঘটেছে, যেখানে রোববার (৩১ মে) দিবাগত রাত ১ টার দিকে তলিয়ে যাওয়া যুবকের লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার আগে নিখোঁজ ছিলেন মো. ফখরুদ্দিন (৩৫), যিনি গত শনিবার দুপুরে বুল্লা বাজার থেকে সুজাতপুরগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে আরোহণ করেছিলেন। কিন্তু তিনি মরা গাং নদীতে পৌঁছানোর আগে তার সাথে কী ঘটেছে তা পরবর্তী বিবরণ দিয়ে বুঝা যায়।
অনুপ্রেরণা ও ঘটনার পরিস্থিতি
ফখরুদ্দিন বুল্লা ইউনিয়নের ভরপুর্নী নোয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন, যিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি ঝর্না চৌধুরী নামে এক মহিলার কাছে টাকা চেয়ে তাকে আটক করেন। ঝর্নার চিৎকার শুনে তার স্বামী রাসেল মিয়া ও অপর যাত্রী বোরহান মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ক্ষোভের ফলে তারা ফখরুদ্দিনকে চলন্ত ট্রলার থেকে টেনে নদীতে ফেলে দেন। এ ঘটনার অপরিহার্য দৃশ্য দেখে অপর যাত্রীরা সাথে সাথে সচেতন হয়ে ওঠেন এবং তৎক্ষণাৎ তদন্তের জন্য পুলিশকে সতর্ক করেন।
অভিযোগ ও তদন্তের প্রক্রিয়া
লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধারের পর স্থানীয় কিছু বাসিন্দা তার সাথে যুক্ত হন। তদন্তে অংশ নেওয়া লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ জানান যে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে ঘটনার সময় ফখরুদ্দিন ও ঝর্না চৌধুরীর মধ্যে কোনও বিতর্ক ছিল, যেটি তাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের মৃত দেহটি বর্তমানে পুলিশ কার্যালয়ে রাখা হয়েছে এবং অপরাধ নিয়ে গুরুতর অনুসন্ধান চালু রয়েছে।
লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর স্থানীয় সংবাদপত্রে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। বুল্লা ইউনিয়ন ও ভরপুর্নী গ্রামের কিছু বাসিন্দা তার পরিবারের কাছে অভিযোগ জানান যে যুবকটি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেনি। পুলিশ জানায় যে নিখোঁজ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে এবং সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর স্থানীয় সূত্র বলে যে ঝর্না চৌধুরী ও তার স্বামী রাসেল মিয়া এই ঘটনার জন্য বোঝাপড়া করছেন। তিনি ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করতে চাইছেন। অনুমান করা হচ্ছে যে ঘটনাটি অনুপ্রেরণার ফলে ঘটেছে যখন নিখোঁজ যুবক টাকা চেয়ে ঝর্না চৌধুরীকে আটক করেছিলেন। নদীতে পতিত মৃত দেহটি পুলিশ অধীনে রাখা হয়েছে এবং এখনও পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর বিষয়টি সোশাল মিডিয়াতে বিস্তারিত কথোপকথনের মাধ্যমে বিস্তারিত হয়েছে। তিনি সুজাতপুর থেকে বুল্লা বাজার পর্যন্ত যাচ্ছিলেন যখন নিখোঁজ যুবক ঝর্না চৌধুর