রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা আকাঙ্ক্ষা করেছেন স্পিকার
র হ ঙ গ স কট বাংলাদেশে এখনও চালু আছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সংসদ ভবনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়। স্পিকার জানান যে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো প্রতিক্রিয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এ সময় আমেরিকার কূটনীতিক আর্চার কেন্ট বলার বাংলাদেশে নতুন সম্পর্ক তৈরির জন্য আকাঙ্ক্ষা করেছেন।
সংসদ ককাস ফোরামে বাংলাদেশ আর মার্কিন দেশের প্রতিক্রিয়া
র হ ঙ গ স কট সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে স্পিকার জানান যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের নব নব অবদান দরকার। তিনি মন্তব্য করেন যে রোহিঙ্গা সংকট এই দুই দেশের মধ্যে গুরুতর বিষয়টি হিসেবে অবস্থিত। সংসদ ককাস ফোরামে গণতন্ত্র দিবস উদযাপনের সাথে সাথে র হ ঙ গ স কট প্রতিক্রিয়া দিয়ে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও তেল গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান সম্পর্কেও আলোচনা হয়।
স্পিকার বলেন, “১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বাংলাদেশ আর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সমৃদ্ধ হয়েছে। তবে র হ ঙ গ স কট বাস্তবায়নে আমাদের আরও শক্তিশালী সহযোগিতা চাই। আমেরিকার অভ্যুথান দিয়ে আমাদের সংসদ ভবনে উপস্থিত প্রতিনিধিরা কাজে লাগাবেন।”
বাংলাদেশি মানুষ আর রোহিঙ্গা সংকট দৃষ্টি আকর্ষণ
র হ ঙ গ স কট সম্পর্কে বিশেষ আলোচনা হয়েছে। স্পিকার বলেন যে রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মানুষের মাঝে সমৃদ্ধ সম্পর্ক তৈরি করেছে। বাংলাদেশের জনগণ প্রতি সময় বার্তা দিয়ে র হ ঙ গ স কট সম্পর্কে বিশেষ মনোনিবেশ প্রকাশ করেন। সংসদের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মাধ্যমে দেশে নতুন ভাবে পরিবর্তন হতে পারে।
র হ ঙ গ স কট সম্পর্কে বিশেষ আলোচনার ফলে সংসদে অনুষ্ঠানে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে আমেরিকার বাজার বাংলাদেশি পণ্যের জন্য নতুন পরিকল্পনা আনা হয়েছে। স্পিকারের নির্বাচিত হওয়ার প্রতি অভিনন্দন জানান এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।