রাজারহাটে পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
র জ রহ ট প কআপ র পথে একটি মাছবাহী পিকআপের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন মানুষের প্রাণ হারিয়েছে। ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিনদের প্রতারণা করে আহত করা হয়। ঘটনার তদন্ন চলছে এবং মোটরসাইকেলটি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে। র জ রহ ট প কআপ র প্রতিদিন বেশ ভারী ভিড় থাকে, যার কারণে সড়কে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা সবসময় থাকে। এ দুর্ঘটনার কারণে দুজন মানুষ নিহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ
নিহত ব্যক্তিদ্বয় হলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের বোগমারী গ্রামের সিদ্দিক শেখ (৫৬) ও তার ছেলে দুলু মিয়া (২৮)। তারা সকালে তিস্তা নদীর চরে বাদাম সংগ্রহের জন্য ঘড়িয়ালডাঙ্গা এলাকায় যাচ্ছিল। র জ রহ ট প কআপ র কসাইটারী শিমলারতল এলাকায় ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি ধ্বংস হয়ে যায়। দুলু মিয়াকে স্থানীয় মানুষ উদ্ধার করে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। কিন্তু তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে সিদ্দিক শেখের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
র জ রহ ট প কআপ র সড়কে একটি বেশ আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় বাদাম সংগ্রহের কাজ চলছিল তিস্তা নদীর চরে। দুর্ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পরে স্থানীয় বাসিনদের সাহায্যে আহত ব্যক্তিদ্বয় উদ্ধার করা হয়। যাওয়ার আগে তারা নিহতদের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। ঘটনার পরে আহত ব্যক্তিদ্বয় তাদের পরিবার থেকে দূরে ছিলেন। আর্থিক সমস্যার কারণে তারা সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে র জ রহ ট প কআপ র কসাইটারী শিমলারতল এলাকায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল ধ্বংস হয়।
পুলিশের বিবরণ ও তদন্ন কাজ
রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মোটরসাইকেলটি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। পিকআপটির চালক দুর্ঘটনার সময় দ্রুত পালিয়ে যায়। পরিস্থিতির স্থায়ী বিবরণ পাওয়া যায়নি। তদন্ন কাজ চলছে র জ রহ ট প কআপ র জেনারেল হাসপাতালে।
র জ রহ ট প কআপ র পথ কুড়িগ্রাম শহরের গুরুতর সড়ক নিয়ে চলছে। আগে থেকে সামনে আসছে প্রতিদিন দুর্ঘটনা বাড়ছে। এ ঘটনার সম্ভাবনা হাসপাতালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে বিশেষ করে র জ রহ ট প কআপ র পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কিছু মানুষ মনে করছেন এটি একটি গুরুতর সড়ক ঘটনা হতে পারে।
বাবা-ছেলের মৃত্যুর পর পরিবার ভার করেছে। তাদের পরিবারের মানুষ দুঃখে ছ