রাজধানী দিল্লিতে নাশকতার ছক খনন করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৯ জন
র জধ ন দ ল ল ত – রাজধানী দিল্লি বর্তমানে একটি গুরুতর স্থিতিতে রয়েছে। পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার একত্রিত ক্রমাগত অভিযানে দিল্লি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলি নিশানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দাউদ ইব্রাহিম এবং আইএসআই যুক্ত বিশেষ সংগঠনের সাথে সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অভিযানে কমপক্ষে ৯ জন ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন।
পুলিশের নাশকতার ছক খনন প্রক্রিয়া
রাজধানী দিল্লি জুড়ে গোপন সংগঠন থেকে সুরক্ষা সম্পর্কে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তদন্তে খুলে আসছে যে এই সংগঠনটি রাজধানীতে প্রতি মাসে নিরাপত্তি বিষয়ে বড় হামলার ব্যবস্থা করছিল। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা মুম্বাই, পাঞ্জাব এবং কাশ্মিরের বাসিন্দারা হতে পারে। পুলিশ জানায়, নাশকতার ছক খননের সময় আইইডি, আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি রাজধানীর স্থায়ী সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য চালু করা হয়েছে।
রাজধানী দিল্লি তদন্তকারীদের মতে নাশকতার পরিকল্পনা কমপক্ষে এক বছরের মতো ধীরে ধীরে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের সাথে আন্তর্জাতিক অপরাধ বিশ্ব থেকে সহায়তা প্রাপ্ত হয়েছিল। নাশকতার ছকটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিকে নিশানা করেছিল বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। এই সংগঠনের সদস্যদের আধুনিক যোগাযোগ তথ্যের ব্যবহার নিয়ে কমপক্ষে তিন মাস ধরে পরিচালনা করা হয়েছিল।
আইএসআই ও দাউদ ইব্রাহিমের যোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ
রাজধানী দিল্লি তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি দাউদ ইব্রাহিমের সংগঠন এবং আইএসআই নিয়ে আলোচনা করছে। গত বছর লালকেল্লার আশেপাশে একটি গাড়িতে আইইডি বিস্ফোরণে বহু মানুষ আহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্তদের নাম সামনে আসছে। এই ঘটনার সাথে রাজধানী দিল্লি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি পরিচালিত হয়েছে।
রাজধানী দিল্লি বিষয়টি গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। আইএসআই এবং বিদেশি সংগঠনের সাথে যুক্ত নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ অভিযোগ করেছে যে রাজধানী দিল্লি এবং দাউদ ইব্রাহিম এর সংগঠন পরিকল্পনা অনুসারে সুরক্ষা ব্যবস্থা খরচ করেছিল। এই পরিকল্পনার ফলে বিভিন্ন শহরের কমপক্ষে চার মাসে গুরুত্বপূর্ণ হামলা ঘটেছিল।
রাজধানী দিল্লি অপসারণের পরিকল্পনার সময় আধাসামরিক সংগঠনের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সাধারণ হামলার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার �