রকিবুল হাসানের সেরা ১৫ কবিতা
সূর্যাস্তে গান কবিতা
রক ব ল হ স ন র – দুপুর ভাঙা রোদে লিখেছিলাম একটি গান যেখানে ঢেউ ও নদী মিশে গেছে কিছু আলোতে আর আলোকিত জলে পুষ্প ডুবে গেছে। কবিতার সে গান হলো না তো কেউ খোঁপায় শোভিত করতে পারে নি।
রঙধনু মেঘ বুকে বৃষ্টি আসলো না তো কারও চোখে কবিতা সলাজ স্নানের গল্প হলো না পাখিরা মাঝে মাঝে ডাকে সবুজবেণী ডাগরে গান গাওয়াও হলো না।
ফিলিস্তিনের আত্মীয় কবিতা
একদিন স্বাধীন হবে ফিলিস্তিন। আমার জন্ম কোথায়—পৃথিবী কোথায়—কতদূর! কবিতার মানুষ দেখতে কেমন আদৌ কি মানুষ আছে এই পৃথিবীতে কোন আমি-তুমি ফিলিস্তিনি।
আমাকে-তোমাকে দিনরাত হত্যা করা হচ্ছে— বুক জুড়ে অগ্নিকুণ্ড—পোড়া গন্ধ বিভীষিকাময় কবিতার মানুষের কি হাত থাকে? শরীর-পা থাকে? বুক থাকে? ক্ষুধা ও যন্ত্রণা থাকে? মৃত্যু ও আর্তনাদ থাকে?
আমি ফিলিস্তিনি— কোন গ্রহে জন্ম আমাদের ফিলিস্তিন ও পৃথিবী অনেক দূরের কোনো গ্রহ? আমরা হয়তো আর খাবারের জন্য দাঁড়াবো না— রক্তাক্ত চোখে কাঁদছি স্বপ্নগুলো মাটির চাপে ডুবে যাচ্ছে নীরবে নিভৃতে।
বৈশাখী বৃষ্টি ও মাজি ভাই
ক তো মাজি ভাই, ক তো ক্যাম্বা—কোথায় আছিস কতদিন কুনো কথা হয় না তেমন পোটনিতে তোর সাথে রাতবিরাত কবিতা নিয়ে কথাও হয় না আর— তখন যে চালশূন্য ভাতের হাঁড়িটা।
কবিতাগুলি যেতে বলেছিল জীবনের খরস্রোতা নদী হয়ে নগর-বন্দরের দিকে সরাসরি নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত কোন রূপ দেখায়নি। কচুরিফুল তুলতে পাল্লা দিয়ে সাঁতারের খেলা পুকুরের পচা পানি আর সুন্দর ফুল কবিতার শরীরের মতো জড়িয়ে জড়িয়ে আহা! যেন লাউডগা অষ্টাদশী কোনো রূপবতী।
বিস্তীর্ণ মাঠের পর মাঠ সদরপুরের বিলে কতদিন যে সাপ গলায় জড়িয়েছি এখন ক্যাম্বা আছিস তুই—মাজি ভাই? মাজি ভাই, তোর ভাঙা চেয়ার টেবিল মা’র গা’র গন্ধমাখা খাট তোর গলায় জড়ানো তেলচিটচিটে গামছাটা খুব মনে আছে মাজি ভাই, তুই কী যে যত্ন করে ছোট ভাইবোনদের রোদে ঘামানো গা ম