News

যে রোগ নিশ্চিহ্ন করেছিল ফিজির এক-তৃতীয়াংশ মানুষ

যে রোগ নিশ্চিহ্ন করেছিল ফিজির এক-তৃতীয়াংশ মানুষ য র গ ন শ চ হ - আজকের শিশুদের ধারণা নেই যে হাম রোগটি একটি জীবন সংঘর্ষের কারণ ছিল। প্রায় এক হাজার বছর আগে এই

Desk News
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যে রোগ নিশ্চিহ্ন করেছিল ফিজির এক-তৃতীয়াংশ মানুষ

য র গ ন শ চ হ – আজকের শিশুদের ধারণা নেই যে হাম রোগটি একটি জীবন সংঘর্ষের কারণ ছিল। প্রায় এক হাজার বছর আগে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক হাজার মানুষ হাম থেকে মৃত্যুবরণ করেছিল। এ রোগের সাম্ভাব্য বিপর্যয় কি ছিল তা ইতিহাস ঘাঁটলে উপলব্ধি হয়।

অসুস্থতার পেছনে ছিল জাতি ধ্বংস

১৯৬৩ সালে টিকা আবিষ্কারের আগে হাম বিশ্বজুড়ে প্রতি দুই থেকে তিন বছর পর পর ভয়াবহ মহামারি আকার ধারণ করত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২৬ লাখ মানুষ এ রোগে মারা যাচ্ছিল। ইতিহাসে এ রোগের বিপর্যয় অনেক জনসংখ্যা নিশ্চিহ্ন করেছিল।

প্রায় হাজার বছর আগে মানুষের মধ্যে ছড়াতে শুরু করে হাম ভাইরাসটি। তবে ১০ম শতাব্দীতে পারস্যের বিখ্যাত চিকিৎসক মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল-রাজি প্রথম হামকে গুটিবসন্ত থেকে আলাদা রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এ সময় থেকে মানুষের লড়াই শুরু হয় এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে।

উপনিবেশবাদীরা আমেরিকায় প্রবেশ করার সময় তারা সঙ্গে নিয়ে আসে হাম এবং গুটিবসন্তের জীবাণু। এই জীবাণু আদিবাসীদের শরীরে বিরুদ্ধে কোনো রোগপ্রতিরোধ ছিল না। ফলে মহামারি আক্রান্ত হয়ে আমেরিকার আদিবাসীদের প্রায় ৬০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ মারা যায়। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণহত্যার একটি প্রমাণ হয়েছিল এই ঘটনা।

ফিজি দ্বীপপুঞ্জের বিপর্যয় কি ছিল?

১৮৭৫ সালে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ফিজি দ্বীপপুঞ্জে ইতিহাসের সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট এবং প্রলয়ঙ্কারী হামের মহামারি ঘটেছিল। রাজা কাকোবাউ অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে বাড়ি ফেরেন। অজান্তে তিনি হামের জীবাণু সঙ্গে নিয়ে আসেন। কয়েক মাসের মধ্যে রোগের বিপর্যয় ফিজির মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নিশ্চিহ্ন করে দেয়। মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। পুরো দ্বীপপুঞ্জ শোকে নিমজ্জিত হয়েছিল।

১৯৬৩ সালে টিকা আবিষ্কারের আগে হাম ছিল জীবনের একটি সাধারণ অংশ। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর গড়ে ৫ লাখ মানুষ হামে আক্রান্ত হত এবং ৫০০ জন মারা যায়। বিশ্বব্য

Leave a Comment