মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: কর্মী বেরোয়া অর্ধেক কমেছে
মধ যপ র চ য র য – মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান এবং অর্থনীতির সংকট সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে কাজে যুদ্ধের কারণে কর্মীদের প্রাথমিক অভিযোগ অর্ধেক হারে কমেছে। গত বছরের তুলনায় আগস্ট মাসে মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী কর্মীদের কর্মসংস্থান খুঁজে পাওয়া হার এক হারে কমেছে। তুরস্কে বিনিয়োগ অবৈধ অভিবাসন বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা জাগছে।
সংখ্যার সামনে সংকট
রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) পরিচালিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছর মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মীদের নিযুক্ত হার প্রায় ৮২ শতাংশ ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সেই হার এখন কমে গেছে। কুমিল্লার মো. আব্দুল্লাহ বলেন, নভেম্বরে ইরানে গিয়েছিলেন ঋণ করে। ইসরায়েলি হামলার রাতে তার মালিক তাকে রেখেই না। মিসাইলের কাছাকাছি ঘুমানো যেত না।
বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সংকটের প্রতিক্রিয়ায় বেশ কয়েকজন আবাসন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন দেশে ফিরে আসছেন। এর মধ্যে অন্তত ৯ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ইরান থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ২০০ কর্মীকে উদ্ধার করে দেশে ফেরানো হয়েছে।
বাইরে থেকে বেড়ানো চ্যালেঞ্জ
রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে গুরুতর সংকট বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে অবৈধ অভিবাসন গত আগস্টে সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে নতুন শ্রমবাজার খুঁজতে চারপাশে সামগ্রিক কাঠামো বদলাতে হবে।
বিদেশ যাওয়ার কর্মসংস্থানে প্রায় অর্ধেক কমে গেছে বলে সংখ্যার পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনের পিছনে কারণগুলো হল স্থানীয় মূল্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সংকট এবং সামরিক সংঘর্ষের প্রতিক্রিয়া। সামনে আসা পরিস্থিতি বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতি নিয়ন্ত্রণ অপেক্ষা করছে।
যারা বাইরে যাওয়ার সাথে সাথে কর্মীদের সম্পর্কে এক সামগ্রিক মন্তব্য করেছেন বলে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্য বা উপসাগরীয় অঞ্চলে সংকট বেড়ে যাওয়ায় শ্রমবাজারে জায়গা কমে গেছে। তবে এই বাইরে থেকে আসা কর্মীদের অবস্থা উন্নয়নের প্রয়োজন আছে।
‘গত বছর আমরা মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী কর্মীদের কর্মসংস্থানের সংকট অনুমান করতে পেরেছিলাম। কিন্তু বর্তমানে এটা সামান্য হয়ে গেছে। তবুও মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি অপরিচিত অঞ্চলে আসা কর্মীদের জন্য নতুন সম্পর্ক বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে,’ রামরু কর্মীদের কথাগুলো বলেছেন।