ব্যাংক সংস্কার বা পুরনো মালিকদের পুনর্বাসন হবে কি?
ব য ক স স ক র – সংসদে গত কয়েকদিন আগে পাস হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আইন পুরোনো ব্যাংক মালিকদের সহজ শর্তে স্বাধীনতা দেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে বলে অনেকে মনে করছেন, যার সঙ্গে নতুন সরকারের ব্যাংক সংস্কার পদক্ষেপ সাংঘর্ষিক হিসেবে তুলনা করা হচ্ছে।
নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার প্রতিক্রিয়া
আশ্বাস দেয়া হয়েছে যে ইসলামি ধারার পাঁচটি ব্যাংকের একীভূত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিএবি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এটা জানানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, নামমাত্র শর্তে মালিকদের ফেরার সুযোগ দেয়া হবে না।
ইসলামি ধারার পাঁচ ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ব্যাংক উদ্যোক্তারা অনুভব করছেন যে সংশোধিত আইনের মাধ্যমে অতীতে টাকা নিয়ে গেছে ব্যক্তিদের আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, যারা সাধারণ মানুষ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তাদের ফেরার সুযোগ দেয়া হলে সম্পূর্ণ জনগণের আস্থা কমে যেতে পারে।
সংকট ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল
বর্তমানে ব্যাংকিং খাত দেশের ইতিহাসের একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ের মধ্যে আটকে আছে। খেলাপি ঋণের পাহাড় এবং মূলধন ও নিরাপত্তা সঞ্চিতির ঘাটতি তীব্র হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতির মধ্যে সংশোধিত আইন ও এর ধারা সম্পর্কে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ব্যাংক মালিকদের মধ্যে।
বিএবি প্রতিষ্ঠান গভর্নরকে চিঠি দিয়ে ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ও সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেছে। তাদের প্রস্তাবে উল্লেখ আছে মালয়েশিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে একটি পেশাদার ‘জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি’ প্রতিষ্ঠা করা। তাছাড়া অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের মাধ্যমে স্থগিতাদেশ ও দেনাদারের অপব্যবহার রোধ করার সাথে সাথে ফাস্ট-ট্র্যাক রিকভারি বেঞ্চ চালু করার কথা বলা হয়েছে।
ব্যাংক মালিকানার ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি
১৯৮২ সাল থেকে দেশে বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশে পৌঁছেছে। বর্তমানে মোট ব্যাংকের সংখ্যা ৬১। বিএনপি সরকার সংস্কার পদক্ষেপের সঙ্গে বিপর্যয় করছে বলে অনেকে মনে করছেন। এটি ইতিহাসে পুনরায় বিপুল মালিকদের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনরায় ফেরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন অনেক ব্যবসায়ী। তাদের মতে, দেশে অতীতে ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের স্বা�