News

বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল | সংবাদ

বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল | সংবাদ রাজধানীতে আলোচনা সভায় মহাসচিবের বক্তব্য ব এনপ উদ র গণত ন ত - ৪ জুন বৃহস্পতিবার

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল, আমরা কোনো বিভাজন চাই না : মির্জা ফখরুল | সংবাদ

রাজধানীতে আলোচনা সভায় মহাসচিবের বক্তব্য

ব এনপ উদ র গণত ন ত – ৪ জুন বৃহস্পতিবার রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে পিআইবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে বলেন যে বিএনপি উদার গণতান্ত্রিক দল এবং দেশে কোনো ধরনের বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় না। তিনি উল্লেখ করেন যে বিএনপি বাংলাদেশকে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

“বিএনপি হল একটি উদার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার দল। আমরা উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং সেই গণতন্ত্রই প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে চাই না, বরং যে আদর্শের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেই আদর্শকে আরো শক্তিশালী করতে চাই।”

গত নির্বাচন সম্পর্কে মন্তব্য করে তিনি বলেন যে মানুষ কোনো ভুল করেনি। নির্বাচনের আগে বুদ্ধিজীবী এবং সংবাদপত্রের একটি অংশ জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় চলে যাওয়ার সূচনা করে এমন হাইপ তৈরি করেছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে এমনকি তাদের বিএনপিকে পরাজিত হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ বিএনপিকে বেছে নিয়েছিল।

শহীদ জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “যাকে কেউ চিনত না এবং অখ্যাত মেজর বলে আওয়ামী লীগের লোকজন বিদ্রুপ করত, সেই মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সে সময় গোটা দেশের মানুষ একটি যুদ্ধ ঘোষণার অপেক্ষায় ছিল।”

“১৯৭০ সালের নির্বাচনে মানুষ যে ভোট দিয়েছিল, সেটি কেবল একটি দলের জন্য ছিল না, বরং পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল। বাংলাদেশের মানুষ তখন একমত হয়ে গিয়েছিল যে পাকিস্তানের সঙ্গে আর থাকা যাবে না। আর সেই কাঙ্ক্ষিত যুদ্ধ শুরু করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।”

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের মধ্যেই বিএনপির মূল দর্শন নিহিত রয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে জিয়াউর রহমান দেশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত সময়ে বিভাজনের রাজনীতি না করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতকে একত্রিত করার প্রচেষ্টা করেছিলেন। প্রথমে ফ্রন্ট, পরে জাগদল এবং পরবর্তীতে বিএনপি গঠনের মাধ্যমে তিনি জাতীয় পুনর্মিলনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে কারো শত্রু বানাতে চাননি, বরং সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁর জনপ্রিয়তার মূল কারণ ছিল তিনি বাংলাদেশের মানুষকে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। মানুষ কোনো আধিপত্যের অধীনে নয়, বরং স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছ

Leave a Comment