বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্কের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
শ্রম চাপ ও বাণিজ্যিক নীতি
ব ল দ শসহ ৬০ দ শ – বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর আরোপিত নতুন শুল্কের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন বর্তমানে প্রস্তাব করছে। এই নীতি মার্কিন বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শ্রম তদন্তের ভিত্তিতে কৌশলগত অবকাঠামো তৈরি করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাসঙ্গিক ক্ষমতা আওতায়, সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা গৃহীত আইন প্রস্তাবে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক পুনর্গঠনের পরিকল্পনা স্থাপন করা হয়েছে। এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন শুল্কের পরিমাণ ও ক্ষেত্রফল
যুক্তরাষ্ট্র সরকার রয়টার্স এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন শুল্কের পরিমাণ স্থির করেছে। তদন্তের ভিত্তিতে কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য দেশগুলির পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে শুল্ক আরোপ করার পরিকল্পনা স্থাপন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার ফলে মার্কিন শ্রমিকদের প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রস্তাব প্রস্তাবিত হয়েছে। বাংলাদেশসহ দেশগুলির ব্যর্থতা হিসেবে মার্কিন বাণিজ্য সীমিত হয়ে আসছে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়েসন গ্রিয়ার বলেন, “আমাদের বাংলাদেশসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদারদের প্রতিযোগিতা হ্রাস করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন যে, শ্রম চাপের কারণে এই পরিকল্পনা অনুসারে মার্কিন শ্রমিকদের কম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে।”
এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি যে কত পরিমাণ পণ্য এবং কত হারে শুল্ক কম করা হবে। প্রস্তাবিত নতুন শুল্ক কম হারে কানাডা, মেক্সিকো, ইন্ডোনেশিয়া এবং আরও কয়েকটি দেশের পণ্যের ওপর আবার আরোপ করার পরিকল্পনা আছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত সাময়িক শুল্কের মেয়াদ আগামী ২৪ জুলাই শেষ হতে যাচ্ছে। এই সময়ে নতুন শুল্ক পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। বাংলাদেশসহ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের ক্ষেত্রে সামগ্রিক বাজারে স্থায়ী পরিবর্তন সৃষ্টি করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা প্রস্তাবে প্রতিটি দেশের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা শুল্ক হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে নতুন শুল্কের পরিকল্পনার ফলে মার্কিন বাজারে উৎপাদিত পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। সাথে সাথে, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বাজারে স্থান নির্ধারণের লক্ষ্য সাধন করছে। বাংলাদেশসহ দেশগুলি প্রতিযোগিতা করার জন্য শুল্ক কম করার প্রস্তাব প্রদান করেছে।
অন্যদিকে, এই পরিকল্পনার আওতায় নির্দিষ্ট করা হয়েছে যে মার্কিন শ্রমিকদের প্রতিযোগিতা রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশসহ অনেক দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে। এই সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক জরুর