নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু
ন য় খ ল ত হ ম – নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চরকাটাখালি গ্রামে বসবাস করতেন মফিজুল হকের ছেলে মো. সামিত (৭)। শনিবার হামের উপসর্গ নিয়ে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়। তিনি নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং রোববার ভোর সোয়া ৪টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। হাসপাতালের সূত্রে জানানো হয়, নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে এটি প্রথম মৃত্যু। গত কয়েক মাসে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে হাসপাতালে প্রায় ৯১৫ শিশু চিকিৎসার জন্য আসেন। এদের মধ্যে কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়, কিন্তু প্রায় ৮-১০ জন শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। নোয়াখালী হাসপাতালের আইসোলেশন ও শিশু ওয়ার্ড মিলিয়ে মোট ১২০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে।
হামের উপসর্গ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য
মো. সামিতের মৃত্যুর পর হাসপাতালে হামের উপসর্গে রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকরা বলেন, বিষাক্ত বায়ু ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কারণে শিশুদের জন্য হামের উপসর্গ বেশি গুরুতর হচ্ছে। তিনি দুর্দান্ত জ্বর ও শ্বাসকষ্ঠতা নিয়ে আসেন, যার ফলে চিকিৎসার সময় অসুবিধা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ ও অন্যান্য রোগে গুরুতর অবস্থায় ১২০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও কমপক্ষে ৫০ শিশু আসছে প্রতিদিন। হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা তাদের সর্বাধিক সম্ভাব্য চিকিৎসা প্রদান করছেন, কিন্তু কিছু পরিস্থিতি চিকিৎসার প্রক্রিয়াকে বাধা দিয়েছে।
বেড ও ওষুধের সংকট
নোয়াখালী হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ড ব্যবহারের কারণে আসন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিশুদের জন্য প্রায় সব আসন অনুসারে পূরণ হয়েছে। বেডের অভাবে কিছু শিশুকে অপেক্ষার জন্য বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। তাদের মতে, শিশুদের জন্য বিশেষ করে হামের উপসর্গে চিকিৎসার সময় ওষুধের কার্যকারিতা কম হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা কী করছেন?
নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আতঙ্কিত। তারা বলেন, শিশুদের জন্য সরবরাহের জন্য অতিরিক্ত