টিভি চ্যানেলে চাকরি বদলাতে ‘অনাপত্তিপত্র’ বাধ্যবাধকতার প্রতিবাদ এসআরএফের
ট ভ চ য ন ল চ – বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম (এসআরএফ) স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতিতে টিভি চ্যানেল মালিকপক্ষ থেকে কর্মীদের অনাপত্তিপত্র গ্রহণের বাধ্যবাধকতার প্রতিবাদ জানিয়েছে। সাংবাদিকদের সংগঠনটি দাবি করেছে যে এই শর্ত দেশের শ্রম আইন ও সংবিধানের পরিপন্থি এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিকূলতা সৃষ্টি করছে।
সাংবাদিকদের অধিকার বিস্তারের দাবি
রবিবার অ্যাটকোর সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা জারি করেছেন যে কোনও চাকরি পরিবর্তনের জন্য কর্মীদের অনাপত্তিপত্র বা ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকাকালীন বা অব্যাহতির পর অন্য চ্যানেলে চাকরি গ্রহণ করার জন্য একতরফা নির্দেশনা প্রয়োগ করা অগ্রহণযোগ্য। তাঁদের মতে, এই নির্দেশনাটি কর্মীদের পেশাগত স্বাধীনতা বিঘ্টিত করছে এবং সাংবাদিকতা চর্চার মুক্তি হুমকি দিচ্ছে।
বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদুর রহমান রানা ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম বলেন, কর্মীদের চাকরি পরিবর্তনের অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। অনাপত্তিপত্র ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি গ্রহণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে বলে অ্যাটকোর নির্দেশনা গণমাধ্যমে স্বাধীন পরিবেশ নষ্ট করবে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী কর্মীদের চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একতরফা বাধ্যবাধকতা আরোপ করা অগ্রহণযোগ্য। শ্রম আইনের সঙ্গঠন বা কর্মীর অধিকার সীমিত করে এমন শর্ত বেআইনি। এতে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয় ও অস্থিরতা বাড়বে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চার জন্য হুমকি হতে পারে।
নিয়মের প্রাসঙ্গিকতা এবং চাকরি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া
টিভি চ্যানেল মালিকপক্ষ স্বাক্ষরিত অনাপত্তিপত্র প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মীদের স্বাধীনতা বিঘ্টিত করতে চাইছে। নিয়মটি কর্মীদের নতুন চাকরি গ্রহণের ক্ষেত্রে অনুমোদন বা অনুমোদন বিনা প্রতিবেদনে চাকরি পরিবর্তনে বাধ্যতা আরোপ করছে। এই পদক্ষেপ সাংবাদিকদের মুক্তি বিঘ্টিত করতে পারে বলে এসআরএফ অভিযোগ করেছে। তাঁদের মতে, বর্তমান নিয়মটি কর্মীদের পেশাগত স্বাধীনতা ও কর্ম মুক্তি সম্পর্কে সংবিধানের বিস্তার ঘটিয়েছে।
নির্দেশনার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম সাংবাদিকদের অধিকারের দিকে সংশ্লিষ্ট চাকরিপরিবর্তন বিষয়ে অনুমোদন দাবি করেছে। তাঁরা বলেছেন যে কর্মীদের অনাপত্তিপত্র ছাড়া অন্য চ্যানেলে চাকরি গ্রহণ করার অধিকার স্বাক্ষরিত সংবিধানে বিধান রয়েছে। এই নিয়ম কর্মীদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনে অস্বাধীনতা সৃষ্টি করছে এবং সাংবাদিকতা সম্পর্কে স্বাধীনতা বিঘ্টিত ক