চিকিৎসক-নার্স সংকটে নাজেহাল শেবাচিম
স্থানীয় অবস্থা ও সংকট
চ ক ৎসক ন র স স – বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) বর্তমানে রোগীদের সংখ্যা তীব্র বৃদ্ধি পেলেও চিকিৎসা প্রদানের কর্মীদের অভাব নিয়ে বিপর্যস্ত হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল গত মাসে হাসপাতালে ১০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠানোর ঘোষণা করেন। কিন্তু এখনও কেউ আসেনি।
কর্মীদের বহিষ্কার ও সংকট সৃষ্টি
হাসপাতালটি অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করতে নিবন্ধন বিহীন শতাধিক কর্মচারীকে বহিষ্কার করেছে। এ পদক্ষেপে সৃষ্ট শূন্যতা পূরণে পরিচালক প্রভাব বিস্তারের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়েছে। গত শনিবার (৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত স্থানীয় স্তরে ঘুরে দেখা হয়, হাসপাতালটি রোগীদের সংখ্যা সামলানোর জন্য কর্মীদের সক্ষমতা অস্ত্রাহিত হয়েছে।
হাসপাতালটি মাত্র ৫০০ শয্যা সংখ্যা নিয়ে চলছে, কিন্তু প্রায় দেড় হাজার রোগী ভর্তি। বৃহৎ সংখ্যক রোগী মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হয়েছে যেখানে রোগীদের প্রতিক্রিয়া দেওয়া জরুরি হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া ও কর্মসংক্রান্ত তথ্য
পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মশিউল মুনীর বলেন, “আমাদের ৫০০ শয্যা নিয়ে চলছে, কিন্তু ১ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা পাচ্ছে। বেড বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা জরুরি।”
অতিরিক্ত জনবল ও প্রয়োজনীয় সমস্যা
স্থানীয় অবস্থার কথা বলেন উপপরিচালক ডা. আবদুল মুনায়েম সাদ, “সাহায্যকারী কর্মীদের বের করে দেওয়ায় এখন সংকট হচ্ছে। তারা প্রাথমিক চিকিৎসায় সহায়তা করতেন, তবে বর্তমানে কর্মসংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের জন্য নার্স ও ডাক্তার অভাব হয়েছে।”
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও বর্তমান সমস্যা
শেবাচিম নবায়ন করা হয় ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর। প্রাথমিক পর্যায়ে শয্যা সংখ্যা ৩০০ ছিল, পরে তা ৫০০ হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার চাহিদা বৃদ্ধির সাথে পরিচালক ডা. মশিউল মুনীর কর্মসংক্রান্ত প্রস্তাবে নার্স ও ডাক্তার সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন বোধ করেছেন।
গত বছর হাসপাতালটিকে ১ হাজার শয্যার মাপে উন্নত করা হয়। কিন