চাঁদপুরে হরিণা ফেরিঘাট ক্ষতিগ্রস্ত
চ দপ র ক লব শ খ – মেঘনা নদীর তীরবর্তী হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ছড়ানোর পর ব্যাপক ক্ষতির পরিচয় দিয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ঘূর্ণিঝড় এবং শক্তিশালী ঢেউয়ের কারণে ফেরিঘাটের পন্টুন বিপর্যয়ে পড়েছে। এতে নদীর তীরে অবস্থিত গ্রামবাসীদের মূল্যবান সম্পত্তি বিনষ্ট হয়েছে এবং স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থার বিপর্যয় ঘটেছে।
ঝড়ের প্রভাব এবং স্থানীয় পরিস্থিতি
বুধবার (২৭ মে) সকাল ৯ টার দিকে ঝড়ের শুরু হয়েছিল। সেই সময় মেঘনা নদী বিপর্যয় ঘটানোর সময় সামান্য ঢেউ সামনে আসে। প্রাকৃতিক সীমান্ত বিপর্যয়ের ফলে এলাকায় গাছপালা বিনষ্ট হয়েছে এবং বিপর্যয়ে পড়ে অনেক বাসিন্দার ঘরবাড়ি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একজন বাসিন্দা খলিল শেখ (৩৫) বলেন, ঝড়ের বৃষ্টিপাতে রাস্তার পাশে একটি বড় গাছ বিপর্যয়ে পড়েছে। তার দোকান ও বসতঘর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
ঘাটের বাসিন্দা খলিল শেখ (৩৫) বলেন, ঝড়ের বৃষ্টির সময় রাস্তার পাশের একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ে ও তার দোকান ও বসতঘরের ওপর আঘাত হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে যে পরিমাণে চ দপ র ক লব শ এলাকার মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চাঁদপুর হরিণা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক ফয়সাল চৌধুরী জানান, ঝড়ের কবলে পড়ে উত্তাল নদীর ঢেউয়ের আঘাতে ফেরিঘাটের একটি পন্টুন সংযুক্ত গ্যাংওয়ে দুর্গত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শরীয়তপুরের চর থেকে চাঁদপুর আসার পথে একটি গরুবাহী ট্রলার ডুবে ওই সময় সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
পুনর্গঠন ও সামাজিক বিপ্লব
অবশেষে প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় পন্টুনটি মেরামত করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী ঝড়ের প্রকোপ ঘটনার সময় কয়েকটি গাছপালা উপড়ে গেছে। এছাড়া চ দপ র ক লব শ এলাকায় অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের টিনের চালা বিপর্যয়ে পড়েছে। অনেক বাসিন্দা বিপর্যয়ের পর নিজেদের বাড়ি ও দোকান পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।
বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তারা ফেরিঘাটের পুনর্গঠনের জন্য সামগ্রিক ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মূল্যবান সম্পত্তির মূল্য প্রাপ্ত করছেন। বিশেষ করে চ দপ র ক লব শ এলাকার গ্রামবাসীদের নৌপরিবহন ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে কাজ চালু করেছেন। অবশ্য বিপর্যয়ের পর নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি ফেরিঘাটের বাসিন্দারা নিজের পরিবার সহ পুন