ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহে সর্বস্তরের মানুষের ঢল
ঈদুল আজহা নামাজের পর জনগণের একত্র অবতরণ
ঘ ড় শ ল প র ঈদগ – ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ঈদুল আজহা নামাজ পূর্ণ হওয়ার পর জনসাধারণ এবং সাংবাদিকদের একত্রে অবতরণ ঘটে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এ সময় মুসলমানদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি জানান যে ইসলামের মূল গুণ হলো শান্তি এবং এই শান্তি বাংলাদেশের জনগণকে একত্রে রাখে।
সামাজিক একাত্মতার গুরুত্ব প্রকাশ
তিনি আরও বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম বিশ্বের বুকে সাম্য ও শান্তির ভাবনা ছড়িয়ে দিয়েছে। আমরা এই অনুযায়ী সব মানুষ সুখে ও শান্তিতে মিলেমিশে বসবাস করবে। নিজেদের কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রতি বুকে সম্মানের সঙ্গে পরিচিত করব।’
ড. আবদুল মঈন খান পরিচিতি করেন যে বাংলাদেশ ছোট দেশ হলেও জনসংখ্যা বিশাল। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একত্রে বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ তাআলা ঈদুল আজহার মাধ্যমে আত্মত্যাগের শিক্ষা দিয়েছেন। আমরা তা গ্রহণ করে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে উন্নতি করব।’
ঈদগাহ উপস্থিত জনগণের সংখ্যা নিয়ে আলোচনা হয়। এই সামগ্রিক অবতরণের মাধ্যমে ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহ এখন একটি সম্মানজনক স্থান হয়ে উঠেছে। এতে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিকূল মনোভাব থাকার কারণে বিভিন্ন সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অনুপ্রেরনার মাধ্যমে এ মন্তব্য আরও প্রাসঙ্গিক হয়েছে।
ঈদগাহ উপস্থিত আছেন পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চিশতিয়া এবং পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন ভূঁইয়া সহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে সাংবাদিকদের প্রতিকূল মনোভাব বিস্তার হয়েছে যার ফলে ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহে আরও বেশি জনগণের আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
যে কারণে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত প্রতিদিন ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করছে, সেই কারণে দেশের জনগণ এ মন্তব্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। যে কারণে অনেক দূর থেকে মানুষ এ স্থানে এসে সামাজিক আন্তরিকতা প্রকাশ করছেন, তার প্রতি ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহের অর্থ অপরিমিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সম্মান বাড়ানোর চেষ্টা করছেন সবাই।
যার ফলে বাংলাদেশে ধর্ম ও সংস্কৃতির বিশেষ অর্থ দেখা দিয়েছে। ঘোড়াশাল পৌর ঈদগাহ এখন সম্মান ও মান প্রকাশের একটি প্রধান কেন্দ্র। অনেক সাধারণ মুসলমান এই সামগ্রিক আসরে অংশ নেও