News

গোমতীকন্যা

গোমতীকন্যা গ মত কন য - আঁধারিয়া গ্রামের উত্তর পাড়ায় গোমতী নদীর কোড়ের পাড়ে রহমত হাজামের বাড়িতে আঁধারিয়া বা মোল্লাকান্দি গ্রামের ব্যাটাছেলেদের সাথে

Desk News
Published June 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গোমতীকন্যা

গ মত কন য – আঁধারিয়া গ্রামের উত্তর পাড়ায় গোমতী নদীর কোড়ের পাড়ে রহমত হাজামের বাড়িতে আঁধারিয়া বা মোল্লাকান্দি গ্রামের ব্যাটাছেলেদের সাথে ছড়িয়াকান্দি থেকেও বেশি মানুষ এসে জড়ো হয়েছে। তার বাড়ির উঁচু ভিটে থেকে কোড়ের পাড়ের কচুরিপানার ঘেরটা দেখা যায়। আবেগ স্বাভাবিক হয়েছে তবে কেউ কেউ নৌকার গলুইতে বসে লাশ দেখছে।

প্রথম কারণটা ছালেক মেম্বরের হুমকি। সে তার সাঙ্গপাঙ্গ সহ বড় ডিঙি নৌকাটা নিয়ে এসে বলেছে, “খবরদার, কেউ লাশে হাত দিবা না। গাঙে ডুইবা মরছে। লাশে হাত দিলে মামলা হইব। পুলিশের মামলা!” মেম্বর তার মোবাইল থেকে থানায় ফোন দিয়েছে। সে থানার উপ-পরিদর্শক জুনায়েদ আহমেদের সাথে সখ্যতা রেখেছে।

গোমতী নদীর ঢলু জলের পাকে পড়ে মনসুর পাগলার বউয়ের লাশ। সেই লাশ নিয়ে যদি পুলিশের সঙ্গে মিলে টাকাপয়সা ধান্দা করা যায়, তবে ছালেক মেম্বর কিছু টাকা খসাতে পারে না মনসুর পাগলার বাপের বাড়ি থেকে। সে তবুও ভাবল, দেখা যাক না কী হয়!

“আর কইয়ো না। মতিরন বিবির কবর দেওয়ার হইছিল আমাগো এই গেরামের কবরস্থানে। ছল্লাকান্দি নেয় নাই। হেইডাই কাল হইছিল। পরে দেখা যাইত, হেয় কারও গোপাটে, কারও বাড়ির পিছদোরে আইসা দাঁড়াইয়া থাকে। আর তেঁতুল গাছ পাইলে তো কোনো কথাই নাই। মানুষরে খালি ডর দেখিইত।”

অন্য মধ্যবয়স্কা মহিলারা মনে করেছে যে গোমতীর কোড়ের পাড়ে কারও লাশ উজাইয়া আইছিল বহুদিন আগে। বিটিশ আমলে আমি তহন ছোড আছিলাম। লাল পাগড়িওয়ালা পুলিশ আইসা এই কোড়ের পাড় থাইকা লাশটা উঠাইয়া লইয়া গেছিল। ওই লাশটা কার আছিল জানো, মনসুর পাগলার পর-দাদি মতিরন বিবির লাশ।

ছমিরন নেছা মধ্যবয়স্ক ছমিরন নেছা মধ্যবয়স্ক ছমিরন নেছা মধ্যবয়স্ক ছমিরন নেছা বলল, “মতিরন বিবি একটা খারাপ কাম করত।” হেয় গেরামের ছোড ছোড পোলাপানগুলারে ধইরা-ধইরা নিয়া গাঙে চুবাইয়া চুবাইয়া মারত। কয়েকদিন পর পর দেখা যাইত পোলাপানগুলার লাশ গাঙে ভাসতাছে।

“হ, আমি হেছাই কইতাছি। একদিন দুপুর বেলা কী হইল, আমি গেছিলাম গোপাট থাইকা ছাগল আনতে। সুদিন মাস আছিল। হেই মতিরন বিবি আমার সামনে আইসা দাঁড়াইল। আমার হাত খাবলা দিয়া ধইরা কয়, ‘আয় ছেমড়ি, তোরে লইয়া গাঙের পাড় যামু…’ আমি তো পরথমে ডরাইয়া যাই। পরে সাহস কইরা চিল্লান দেই আর ঝাটকা মাইরা হাত ছুডাইয়া নেই। বাপজান কাছেই আছিল। আমার চিল্লান শুইনা দৌড়াইয়া আইয়া দেখে কেউ নাই। আমিও চোখ ঘুরাইয়া দেখি মতিরন বিবি উধাও!”

এবার কয়েকজন মহিলা ভয়ের গলায় জিজ্ঞেস করল, “তারপর?” ছমিরন নেছা বলল, “তারপর আর এই ঘটনা ঘটে ন

Leave a Comment