পলাশের কৃষ্ণচূড়া সেজেছে রক্তিম রংয়ে: জনপ্রিয় সৌন্দর্যের সংকট আরও বেশি দৃঢ়ভাবে প্রকট হচ্ছে
ক ষ ণচ ড় র রক ত – কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলা। বর্তমানে ঝোপঝাড় ছিল স্থানটি এখন লাল ফুলের আঁশ দিয়ে বিস্তীর্ণ আবরণ তৈরি হয়েছে। ঘোড়াশাল রেল স্টেশনের চত্বর এবং পলাশ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র অঞ্চল কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোর রক্তিম আভা দিয়ে সম্পূর্ণ জ্বলছে। গ্রীষ্ম মৌসুমের তাপে কৃষ্ণচূড়া গাছের ছায়া আর কোনও ক্লান্ত পথিকের মন শান্তি দেয়। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলার কৃষ্ণচূড়া গাছগুলি কেবল মানুষের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ধন করছে না, বরং স্থানীয় গ্রামবাসীদের আত্মতীর্থ হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলার ক্রমবর্ধমান সমস্যা
ঘোড়াশাল রেল স্টেশনে দৈনিক প্রায় চার শত যাত্রী আসে চলে যায়। ট্রেনযাত্রী তারেক জানান যে কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলায় কৃষ্ণচূড়া গাছের সৌন্দর্য দেখে মনটা ভালো হয়ে যায়। কিন্তু তিনি বলেন যে গাছগুলো নির্বিচারে কাটা পড়ার কারণে আগের তুলনায় এখন সংখ্যা কমে গেছে। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলার কমপক্ষে ৪৫টি কৃষ্ণচূড়া গাছ রয়েছে যেগুলো থোকায় থোকায় রক্তিম সাজে সেজেছে। জিনারদী রেল স্টেশনের পাশে পুকুরপাড় এবং বাগাসিয়া গ্রামে গাছগুলো দেখতে মানুষ ভিড় করছেন, ছবি তুলছেন।
“আগে আমাদের এলাকায় প্রচুর কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। কিন্তু সময়ের প্রবাহে অনেক গাছ কাটা পড়েছে। বর্তমানে পুকুরপাড়ে ও গ্রামের মধ্যে থোকায় থোকায় কিছু গাছ টিকে আছে, যেগুলোতে এ বৈশাখে চমৎকার ফুল ফুটেছে।” – জিনারদী ইউনিয়নের জ্ঞানাঞ্জলি গণগ্রন্থাগারের সম্পাদক অপু সেন
কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলা একটি মহান প্রাকৃতিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এ এলাকায় আসলে কৃষ্ণচূড়া গাছের সৌন্দর্য দেখে মানুষ ভালো লাগে। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলার ক্রমবর্ধমান সমস্যা মানুষের দৃষ্টিতে বিশেষ আকর্ষণ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে ঘোড়াশাল-পলাশ সড়কের পাশে ও সারকারখানা এলাকায় কমপক্ষে ৪৫টি কৃষ্ণচূড়া গাছ রয়েছে যেগুলো থোকায় থোকায় রক্তিম সাজে সেজেছে।
পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের আইসিটি সম্পাদক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতির অনন্য উপহার। এই বৈশাখের খরতাপে লাল ফুলে ছেয়ে থাকা গাছগুলো ক্লান্তি দূর করে দেয়। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সাজে সেজেছে পলাশ উপজেলার এমন সৌন্দর্য অনেকের জন্য কাটা পড়