News

এক রাস্তা ২ পক্ষ, ৬ জনের জেল, থমকে গেছে গ্রাম

এক রাস্তা ২ পক্ষ, ৬ জনের জেল, থমকে গেছে গ্রাম এক র স ত ২ পক ষ - নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বলরামপুর গ্রামে এখন আতঙ্ক আর কান্নার রোল ছড়িয়ে পড়েছে। একটি পুরোনো

Desk News
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

এক রাস্তা ২ পক্ষ, ৬ জনের জেল, থমকে গেছে গ্রাম

এক র স ত ২ পক ষ – নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বলরামপুর গ্রামে এখন আতঙ্ক আর কান্নার রোল ছড়িয়ে পড়েছে। একটি পুরোনো রাস্তায় ইটের প্রাচীর তুলে দেওয়া হয়েছে যার ফলে ১১টি পরিবার অবরুদ্ধ হয়েছে। গ্রামের প্রধান সড়কটি ছাড়া কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর মসজিদে যাওয়ার পথ ছিল না। কিন্তু মাটি খনন করে রাস্তার মাঝখানে দেয়াল তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে, যার ফলে গ্রামবাসী চলাচলের কৌশল আটকে গেছে।

গত ২০ এপ্রিল গ্রামবাসীদের স্বাধীনতার প্রতিবাদে দুই ফুট মাটি কেটে একটি ভ্যান চলাচলের পথ তৈরি করা হয়। সেই কাজের জন্য প্রায় ৪০ বছর ধরে গ্রামের মানুষের অবরুদ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। এর ফলে কৃষকদের ধান ঘরে তোলার কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়েছে গ্রামের ১৯ জন বাসিন্দার বিরুদ্ধে।

রোজিনা বেগম এবং তার পরিবার রাস্তার মাঝখানের জমি দখল করার দাবি জানান। আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে গত ৯ মে। এরপর গত ১১ মে জামিনের বিষয়ে আদালত ছয় জনকে জেল দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রায় কিছু জায়গা ছাড়া রাস্তা ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু বিলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান কেটু বলেন, রাস্তাটি ওই পরিবারগুলোর একমাত্র চলাচলের পথ।

‘যে রাস্তা দিয়ে আমরা বাপ-দাদার আমল থেকে চলছি, আজ সেখানে দেয়াল তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা শুধু ধান আনার জন্য একটু মাটি সমান করেছিলাম। এই অপরাধে ৬ জন মানুষ আজ জেলে! আমরা এখন কোথায় যাব, কার কাছে বিচার চাইব?’

‘আমাদের ঘরে ধান আসবে, কিন্তু প্রাচীরের কারণে ভ্যান বা ধান মাড়াইয়ের মেশিন ঢোকানোর কোনো উপায় নেই। পাকা ধান মাঠে পড়ে আছে। উল্টো আমাদেরই আসামি বানিয়ে জেলে পাঠানো হচ্ছে।’

বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, মামলাটি আদালতের নির্দেশে তদন্তাধীন রয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের পর আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নীরবতার সুযোগে প্রভাবশালী একটি পক্ষ দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তাটি দখল করে দেয়াল তোলার চেষ্টা করেছে।

ধানকাটার মৌসুমে গ্রামের মানুষ কৃষিজমি থেকে আসা ধান ঘরে তোলার জন্য আর কোনো উপায় নেই। অসুস্থ মানুষের হাসপাতালে যাওয়া ও শিশুদের স্কুলে পৌঁছানো সব বন্ধ হয়ে গেছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তানজিলা বলেন, স্বামীকে হারিয়ে অবরুদ্ধ হয়

Leave a Comment