ঈদের চাঁদ রাতে পুড়লো স্বপ্ন
ঈদ র চ দ র ত প – ঈদের উৎসবের সুবাস বাতাসে ছড়িয়েছিলো নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের নতুন বাড়ি। কিন্তু তিন দিন পূর্বে ওই বাড়িতে গত ২৭ মে গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তিল তিল করে গড়ে তোলা টিনসেড ঘরটি আগুনে জ্বালিয়ে দেয়। পরিবারের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু ছাই হয়ে যায় এবং তাদের হৃদয় বিদারিত হয়।
আব্দুল হাই পেশায় মাদ্রাসা শিক্ষক। তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে বিছানা ছাড়েন গত দিবাগত রাতে। কিন্তু মুহূর্তে তার নাকে পোড়া গন্ধ আসে এবং ঘরের ভেতর হু হু করে কালো ধোঁয়া ঝরে পড়ে। সেই সময় ঘরের দুটি প্রধান দরজা দিয়ে বাবা, নারী ও শিশু সহ পরিবারের ১১ জন সদস্য আতঙ্কে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তাহাজ্জুদের সময়টুকু বাড়িতে আগুন ধরে গেছে কিন্তু বাহিরের দরজা দিয়ে নির্বাক হয়ে যায়।
ঈদের আনন্দের প্রতিক্রমণ
বসতভিটাটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রান্নাঘর ও বসতঘরের সিংহভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিবারের ক্ষতি তৈরি হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মাত্রাতে সবচেয়ে বড় হৃদয়ের প্রতিক্রমণ। ঘটনার পর থেকে স্থানীয়দের বাসা বাড়ি এবং প্রতিবেশীদের চারপাশ ঝলসে কালো হয়ে গেছে।
“২৭ মে ঈদের চাঁদ রাতে দুষ্কৃতকারীরা আমাদের পাক ঘর ও বসতঘরে পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে। দুর্বৃত্তরা বাহির থেকে দরজা লাগিয়ে ঘরে আগুন ধরে দেয়। আমাদের জানামতে কোনো শত্রু নেই, তাই থানায় অভিযোগ দিতে নাম উল্লেখ করিনি। কিন্তু রান্নাঘর থেকে রাত তিনটায় আগুন লাগবে কীভাবে? রান্নাঘর তো আরও দূরে। আমাদের বাবা যদি নামাজ পড়তে না উঠতেন, তবে আজ আমরা ১১ জনই ঘরের ভেতর পুড়ে কয়লা হয়ে যেতাম।”
আব্দুল হাই ও তার ছেলে মনির আহমেদ ও মইনুদ্দিন সহ পরিবারের ১১ জন বাড়ির ভেতর পুড়ে গেছে। ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কারগুলো আগুনে ধরে যায়। সংবাদ প্রকাশের সময় তাদের কাপড়ে কাপড়ে পুড়ে গেছে ঈদের দিন।
স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটিকে রান্নাঘরের আগুন বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পরিবার তার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে। বাড়িটি সুন্দর ছিল কিন্তু আগ