‘আমি একজন ধর্ষিতার বাবা, খন্ডিত লাশের বাবা, দায় কার’: আম একজন ধর্ষিতার বাবা শিশুটির জন্য প্রশ্ন তুলেছেন | সংবাদ
আম একজন ধর ষ ত র ব – আম একজন ধর্ষিতার বাবা পল্লবীতে ঘটে এক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর মামলা করেন। গত ১৯ মে শিশুটির খন্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর তিনি প্রশ্ন তুলেছেন: দায়িত্ব কার হবে? আমার না রাষ্ট্রের না সমাজের না আর কার হবে? এটি পরিবারের জন্য একটি গুরুতর সংকটের প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
খন্ডিত লাশের পিতা নিজের দায়িত্ব নিয়ে সংঘর্ষে পড়েছেন
সন্তানের মৃত্যুর পর বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন এবং নিপুন রায় চৌধুরী প্রসঙ্গে আবেদন করেন যে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্তরে প্রতিক্রিয়া দরকার। তিনি জানান, আম একজন ধর্ষিতার বাবার জন্য কে দায়ী হবেন? স্ত্রী আসামি সোহেল ঘটনার পর গ্রিল ভেঙে পালিয়েছিলেন কিন্তু স্ত্রী আটক করা হয়। আদালত আগামী ৭ জুন মামলার রায় ঘোষণা করবে।
আম একজন ধর্ষিতার বাবার মূল প্রশ্নটি তিনি উল্লেখ করেছেন যে শিশুদের নিরাপদ জন্ম নেওয়ার দায়িত্ব কার? বাবা এবং মা স্বয়ং কী করেন নি? সমাজব্যবস্থার পরিচয় শিশুর জন্য কাজ করছে কি বা না? তিনি বলেন, একটি সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে কেবল কর্তৃপক্ষের তরফে সমাধান সম্ভব নয়।
শিশু নির্যাতন বিষয়ে এক বিশেষ বৈঠকে আম একজন ধর্ষিতার বাবা উপস্থিত ছিলেন
বৈঠকে অংশ নিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কাজী গোলাম মোখলেছুর রহমান এবং আইনজীবী রাশনা ইমাম। শিশুদের সংরক্ষণের জন্য সবার সমন্বিত ক্রিয়া প্রয়োজন বলে তারা আবেদন করেছেন।
আম একজন ধর্ষিতার বাবা নিয়ে আলোচনায় এসেছে নাগরিক সমাজের ভূমিকা সম্পর্কেও আলোচনা। নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে হয়রানি বৃদ্ধি পেয়েছে এটি শিশুদের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা তৈরি করেছে। আরও বলেন, বাবা ও মা শিশুর বিরুদ্ধে অপরাধ করে না বলে সারাজীবন তাদের কান্নার পথ বন্ধ থাকবে না তা নিশ্চিত করতে হবে।
আম একজন ধর্ষিতার বাবার স্ত্রী এখনো মানসিক চাপে ভুগছেন। তার বড় মেয়েকে নিয়ে বিশেষ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মেয়ে হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তিনি এবং আশংকা প্রকাশ করেন যে শিশুর স্বাধীনতা এ