News

ভারতীয় গরু বন্ধে আশাবাদী দেশি খামারিরা

c6e7077a-c5d4-4ce5-83f5-afe5853d1fd7-0

ভারতীয় গরু বন্ধে আশাবাদী দেশি খামারিরা

Banglabeacon.com – ভ রত য় গর বন ধ আশ – ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলায় পশুর যথেষ্ট পরিমাণ উপলব্ধ রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলার স্থানীয় চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৮ হাজার পশু অতিরিক্ত উদ্বৃত্ত থাকবে।

গত বছরের তুলনায় এবার পশু উৎপাদন প্রায় ২-৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে কোরবানি যোগ্য পশু লালন পালন করা হয়েছে। এসব খামারে কোরবানি উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তালা উপজেলার খামারি শামীম সরদার জানান, গমের ভুসি, ভুট্টা এবং সয়াবিন খৈল সহ সব ধরনের পশুখাদ্যের দাম এখন অস্বাভাবিক উন্নতি পেয়েছে। তার কারণে খামারিরা বর্তমান মূল্যে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছেন। ফলে তারা ন্যায্যমূল্য পেতে সন্দেহ বোধ করছেন।

অন্যদিকে পাটকেলঘাটার খামারি প্রভাষ ঘোষ জানান, তার খামারে দুটি বড় গরু বিক্রি করার জন্য ৮ লাখ টাকার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু ক্রেতাদের সংখ্যা ও বাজার অবস্থা নিয়ে তিনি কিছুটা অস্থিরতা অনুভব করছেন।

সীমান্ত মাধ্যমে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ থাকায় কেউ কেউ দেশি পশুর ভালো বাজার পেতে আশা করছেন। বকচরা গ্রামের খামারি আব্দুল আজিজ বলেন, প্রাকৃতিক ঘাস ও দেশি খাদ্যের সাহায্যে পশু চাহিদা সব সময় বাজারে বিরামহীন থাকে। সে জন্য তিনি লাভ সম্পর্কে কোনো কমন করেন না।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ এম মান্নান কবীর জানান, “এই মুহূর্তে চাহিদার তুলনায় ১৮ হাজার পশু অতিরিক্ত উদ্বৃত্ত থাকলেও কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। ভারতীয় গরু অবৈধভাবে প্রবেশ করতে না পারার জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। পশুখাদ্যের দাম বেড়েছে বলে সত্যি, কিন্তু ভারতীয় গরু আসার বন্ধ হওয়ায় খামারিরা সমাপ্তি পর্যন্ত ভালো দাম পেতে পারেন।”

দেশি পশু উৎপাদনের বৃদ্ধির ফলে কোরবানি বাজারে বিদেশি পশুর উপর নির্ভরতা কমেছে। এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে সকার প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *