News

নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্ট

Techtaranga.com_17790975544894

নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্ট

প্রাথমিক শুনানির বিষয়াবলী

Banglabeacon.com – ন গর কদ র স ব স – সোমবার (১৮ মে) হাইকোর্টে জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি আব্দুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ সেই প্রশ্নটি বিচার করার আদেশ দিয়েছে। রুলে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জীবনাধিকার রক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা নির্ণয়ের আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রমাণ ও সংবিধানি অনুচ্ছেদ

রিট আবেদনে বলা হয়েছে সংবিধানের ১৫, ১৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব। তবে বাস্তবে সেই দায়িত্ব কার্যকরভাবে প্রতিফলিত হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রত্যেক নাগরিক আর্থিক দুর্ভোগ ছাড়াই প্রয়োজনীয় ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবে। সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩২ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তবে বাস্তব অগ্রগতি অত্যন্ত সীমিত।

পরিসংখ্যান ও গবেষণার তথ্য

আবেদনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণার পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশ জনগণকে নিজেদের পকেট থেকে বহন করতে হচ্ছে। ফলে প্রতিবছর লাখো পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে।

বাজেট বিতরণ ও সংকট

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ মোট বাজেট ও জিডিপির তুলনায় অত্যন্ত কম। বরাদ্দকৃত অর্থের বড় অংশ অব্যবহৃত থেকে যায়। দেশে চিকিৎসকের বিপরীতে জনসংখ্যার অনুপাত ১:২০০০ এবং নার্সের অনুপাত ১:৫০০০। এই অনুপাত স্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুতর সংকটকে প্রকাশ করে।

বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যদি কার্যকরভাবে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়ন করা গেলে রোগব্যাধির প্রকোপ কমবে, জনগণের আর্থিক চাপ কমে যাবে এবং সংবিধানপ্রদত্ত জীবনাধিকার বাস্তব অর্থে নিশ্চিত হবে।

একইসঙ্গে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়ন তদারকি, পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কেন এক মাসের মধ্যে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখি�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *