News

দুমকিতে তীব্র গরমে স্বস্তি দিচ্ছে তালের শাঁস | সংবাদ

দুমকিতে তীব্র গরমে শাঁস বিক্রি বৃদ্ধি দ মক ত ত ব র গরম - পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গ্রীষ্ম মৌসুমে তালের শাঁস বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। তীব্র

Desk News
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

দুমকিতে তীব্র গরমে শাঁস বিক্রি বৃদ্ধি

Banglabeacon.com – দ মক ত ত ব র গরম – পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গ্রীষ্ম মৌসুমে তালের শাঁস বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। তীব্র দাবদাহের মধ্যে কচি তাল থেকে তৈরি শাঁস আগ্রহের সাথে বিক্রি হচ্ছে। এই সময় শরীরের সজলতা রাখার জন্য সব বয়সের মানুষ তালের শাঁসের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছেন।

বাজারে পরিদর্শনে দেখা গেছে কচি তালের শাঁসের বিক্রেতারা মৌসুমী গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বসে প্রদর্শন করছেন। দুমকি বাজার, নতুন বাজার, থানা ব্রিজ, লেবুখালী পাগলা গোলচত্বর এবং চরগরবদি ফেরিঘাট সহ বিভিন্ন স্থানে ক্রেতাদের দেখা গেছে বিপুল আগ্রহের সাথে।

সাংবাদিক তাল বিক্রেতার অভিজ্ঞতা

উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের এক বিক্রেতা মো. ফারুক হোসেন জানান, তিনি বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে গাছমালিকদের কাছ থেকে কচি তাল কিনে নেন। গাছের পরিমাণ অনুযায়ী চুক্তিতে প্রতিটি গাছের জন্য ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা করে চুক্তি হয়।

আগে ঘরের পাশেই পর্যাপ্ত তালগাছ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন গাছ কমে যাওয়ায় অনেক দূরের গ্রাম থেকে তাল সংগ্রহ করতে হয়। যাতায়াত ও সংগ্রহের খরচ বেড়েছে।

তালের শাঁসের বাজার চাহিদা

থানা ব্রিজ এলাকার মো. মুসা খান বলেন, “আমরা আকার অনুযায়ী প্রতিটি কচি তাল কেনা হয় ১৫ থেকে ২০ টাকায়। গরমে চাহিদা প্রায় অসাধারণ। সন্ধ্যার পরও মানুষ আনাগোনা থাকে।”

অনেকে এই খাবার বেশি পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে দেখে আনন্দিত হন। সুস্বাদু খাবার হিসেবে অনেক ব্যক্তি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় শিক্ষিকা মোসা. ফাতেমা জাহান বলেন, “ছেলেমেয়েদের এটি অত্যন্ত প্রিয়। সুতরাং কলেজ মোড়ের দোকানে সাধারণত এটি কিনে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।”

পরিবেশ সংকট এবং তালগাছের অবস্থা

দক্ষিণ মুরাদিয়ার বাসিন্দা জাকির হোসেন হাওলাদার জানান, “পরিবারের আনন্দ ও শাঁসের সুস্বাদুতার কারণে ৪০০ টাকায় ২০টি কচি তাল কিনেছি। ছেলেমেয়েরা খুব খুশি হয়েছে কারণ তারা রসালো শাঁস খুব পছন্দ করে।”

তবে প্রাচীন বজ্রপাত নিরোধক তালগাছগুলো কালের বিবর্তনে বাড়ির চারপাশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। সরকারি সংকটের মুখে আসার সাথে সাথে সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর শহিদুল হাসান শাহীন বলেন, “এটি খনিজ লবণ ও পানি সমৃদ্ধ। গরমে আঁশযুক্ত হওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।”

Leave a Comment