News

ইরানে সৌদি আরবের হামলা

d368cf0d-c091-4d0e-82d8-f400479b80a6-0

ইরানে সৌদি আরবের হামলা: যুদ্ধের প্রতিশোধ এবং পররাষ্ট্র সম্পর্ক

Banglabeacon.com – ইর ন স দ আরব র হ – ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলার সময় দখলদার ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে গোপনে হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছেন। এ তথ্য রয়টার্স স্থানীয় সময় আজ বুধবার (১৩ মে) এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে। যুদ্ধবিরতির আবেদন সার্বিক পরিবেশে ইরান ও সৌদি আরবের সম্পর্ক ভাঙার সম্ভাবনা দেখায়, যেহেতু দুই দেশের পক্ষ থেকে গোপন আক্রমণ প্রকাশ করা হয়েছে।

হামলার প্রকৃতি এবং প্রতিশোধের প্রকাশ

রয়টার্স প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ হিসেবে গোপন হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলা প্রকৃতিতে সৌদি আরবের বাহিনী ইরানের সম্প্রদায়গুলি ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া পর্যন্ত চালানো হয়। পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরবের হুমকি ও প্রতিশোধমূলক ক্রিয়া বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু এ হুমকির পর উত্তেজনা কমে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

পশ্চিমা এক কর্মকর্তা বলেছেন, “গত মার্চে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক গোপন হামলা চালিয়েছে। হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা সৌদি আরব প্রতিবাদ করে বলে জানায়।” এই হামলার ফলে ইরানের কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, যেহেতু দখলদার কর্তৃপক্ষ সেটি সমর্থন করেছে।

ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধ চলার সময় এ হামলা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ইরান এবং সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধ চলাকালীন আরব প্রতিবেদনগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। সৌদি আরব এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি আক্রমণ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

মূল বিষয় ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলি

রয়টার্স প্রতিবেদন মতে ইরানে সৌদি আরবের হামলার প্রকৃত মূল বিষয় চালানোর ক্ষমতা এবং সৌদি আরব এর প্রতিশোধের চেষ্টা করেছে। গত কয়েক মাস ধরে দুই দেশের মধ্যে আঘাত বাড়ছে। ইরান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সম্পর্ক ক্ষীয়মান হওয়া বিষয়টি আগে থেকে বিশেষ বিপদ হিসেবে গণ্য হত। ইরানের হামলার ফলে সৌদি আরব ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

পশ্চিমা অপর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দেয়। এ হুমকি ও কূটনৈতিক গতিবিধির কারণে পরবর্তীতে উত্তেজনা কমে যায়।” এটি প্রতিশোধ গ্রহণ ও সম্পর্ক স্থাপনের পর সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে গণ্য হত।

গত আপন এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এ ঘোষণার আগে এক সপ্তাহ সৌদি আরবের হুমকি এবং কূটনৈতিক চার্জে উত্তেজনা কমে যায়। ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে চলাচল দ্বন্দ্ব এর প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ। ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে আঘাত বাড়ছে, যেহেতু দুই দেশের বৈপরীত্য বিস্তারিত হয়েছে।

রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *