News

ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া

ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া ইব ল র নত ন ধরন ম - রাশিয়ার বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি টিকা ইবোলার নতুন ধরন বুন্দিবুগিও কে ক্ষমতায় রোগ

Desk News
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া

Banglabeacon.com – ইব ল র নত ন ধরন ম – রাশিয়ার বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি টিকা ইবোলার নতুন ধরন বুন্দিবুগিও কে ক্ষমতায় রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। এ ঘোষণা করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে দক্ষিণ আফ্রিকার রুশ দূতাবাস দিয়ে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি সেই ঘোষণাকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে।

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গো এবং প্রতিবেশী উগান্ডায় গত এক মাসে ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। এর মধ্যে কঙ্গোতে সংক্রমণ অত্যধিক তীব্র। এখানে ইবোলা ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ২২০ জন পর্যন্ত ছাড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে ডব্লিউএইচও দিয়ে গত ১৭ মে। রাশিয়া এই ঘোষণার মাত্র দশ দিনের মধ্যে টিকার কথা জানায়।

“রুশ বিজ্ঞানীরা ইবোলার নতুন ধরন বুন্দিবুগিও কে মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছেন। এই টিকা বুন্দিবুগিও ধরন থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম।”

ইবোলার বৈজ্ঞানিক নাম ‘অর্থোইবোলাভাইরাস জাইরেন্স’। এ পর্যন্ত ছয়টি ধরন বা প্রজাতি পরিচিত হয়েছে। তার মধ্যে জাইর, সুদান, বুন্দিবুগিও, রেস্টন, তাই ফরেস্ট ও বোম্বালি। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটিয়েছে জাইর ধরন। কিন্তু কঙ্গো এবং উগান্ডায় প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বুন্দিবুগিও প্রজাতি বলে জানা গেছে।

ভাইরাস মানুষ এবং প্রাইমেট গোত্রীয় প্রাণী যেমন শিম্পাঞ্জি, গরিলা ও ওরাংওটাংকে শিকার করে। বাহুবাহিত রোগ নয়; কোনো আক্রান্ত মানুষ বা প্রাণীর রক্ত, লালা, ঘাম, বমি, মল-মূত্র বা অন্যান্য শারীরিক তরলের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে এলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যবহৃত সুঁই বা কাপড় থেকেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় মৃতদেহের সাথে সংস্পর্শ থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে ভাইরাসটি।

সাধারণত সংক্রমণের দ্বিতীয় দিন থেকে উপসর্গ দেখা শুরু করে। হঠাৎ তীব্র জ্বর, দুর্বলতা-ক্লান্তি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা, মাংসপেশি ব্যথা, ডায়রিয়া ও বমি উপসর্গগুলো রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুসকুড়ি হতে পারে এবং লিভার ও কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস পায়। শেষ পর্যায়ে নাক, মুখ কিংবা মলদ্বার দিয়ে তীব্র রক্তক্ষরণ হতে পারে। এজন্য ইবোলাকে ‘হেমারোজিক ফিভার’ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়।

গড়ে বলা হয় ৫০ শতাংশ মৃত্যুহার রয়েছে। ডব্লিউএইচও বরাত দিয়ে জানিয়েছে কঙ্গোতে সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর রাশিয়া এই টিকার প্রকাশে মুখোমুখি হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও পিআর রিভিয়্যু প্রকাশনা ছাড়া টিকাকে স্ব�

Leave a Comment