Bangladesh

৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার ৮ ঘণ ট র অভ য ন - ৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের নিজেদের প্লাটুনের সামনে কচুরিপানা

Desk Bangladesh
Published July 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. ৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার
  2. অপারেশনের বিস্তারিত বিবরণ

৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ ট র অভ য ন – ৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের নিজেদের প্লাটুনের সামনে কচুরিপানা ধুয়ে ফেলতে গিয়ে সাদিকের মরদেহটি নিখোঁজ হওয়ার ৮ ঘন্টা পর অপারেশন সমাপ্ত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন ঘটনাস্থলের অদূরে কেরোসিন ঘাট এলাকায় তার মরদেহটি নিশ্চিত করেন। এই অভিযানের সফলতা প্রমাণ করে দিয়েছে যে কত দ্রুত এবং সঠিক পদক্ষিণে নদীতে ডুবুরি সদস্যদের প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা রয়েছে।

অপারেশনের বিস্তারিত বিবরণ

সাদিক নিখোঁজ হন বেলা এগারোটার দিকে নগরীর নিতাইগঞ্জের ফায়ার ঘাট এলাকায়। তিনি স্পিডবোট থেকে পড়ে নদীতে অদৃশ্য হন। সাদিক ছিলেন নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের একজন প্রশিক্ষিত ডুবুরি। গতমাসে লেক সিদ্ধিরগঞ্জে গোসলে নেমে তিন মরদেহ উদ্ধারের কাজেও তার সহযোগিতা ছিল। এবং তিনি এই অভিযানের সময় বিশেষ করে ডুবুরির বিষয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেন।

অপারেশনের বিস্তারিত চালনা

৮ ঘণ্টার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সাদিকের অদৃশ্য হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এক সমন্বিত চেষ্টা চালান। কেরোসিন ঘাট এলাকায় কচুরিপানা ধুয়ে ফেলতে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন। এই অঞ্চলটি নদীর বিশেষ স্থান হিসেবে পরিচিত এবং কয়েক ঘন্টা ধরে ক্রমাগত জল স্তর বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ডুবুরির মরদেহ উদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, জেটির সামনে কচুরিপানা জমে থাকে। তিন সাদিক সহ ডুবুরি সদস্য সেখানে কাজ করছিলেন। ঢেউয়ের কারণে সাদিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যান। সামনের দিকে থাকা সাদিক মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন বলে ধারণা করছি। কেননা তিনি প্রশিক্ষিত ডুবুরি, আঘাত না পেলে এভাবে নিখোঁজ হতেন না। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ডুবুরি সদস্যদের একটি অপারেশন চালানো হয়।

বিশেষ প্রয়োজনীয়তা ও সহায়তা

নিখোঁজ সহকর্মীকে খুঁজতে ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও কোস্টগার্ডের সদস্যরা শীতলক্ষ্যা নদীকে খুঁজতে তৎপরতা চালান। সাদিকের ডুবুরি হওয়ার পর বিশেষ ভাবে অপারেশনের সময় বৃদ্ধি পেয়েছিল। কেরোসিন ঘাট এলাকার চারপাশে তলাসি চালানো হয় এবং কয়েক ঘন্টা ব্যয়িত হয়। সাদিকের পরিবারের দাবি অনুযায়ী তিনি ঘটনার সময় তাঁর মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। যার ফলে তিনি নিখোঁজ হন। অপারেশনের সময় ডুবুরি সদস্যদের দক্ষতা এবং সংগठনের দ্বারা এটি সম্ভব হয়েছিল।

৮ ঘণ্টার অভিযানে ডুবুরি সদস্যরা বিশেষ ক্রমে তার মরদেহ খুঁজে পান। নদীর বিশেষ অংশে কাজ করা কঠিন হয়েছিল কারণ তার প্রান্তে জল স্তর বৃদ্ধি পেয়েছিল। সাদিকের মরদেহ উদ্ধারের পর তার পরিবার খুশি হন এবং তার সেবার প্রতি অভিযানের কাজে বিশেষ প্রশংসা করেন। এই ঘটনার মাধ্যমে ডুবুরি পদ্ধতির গুরুত্ব প্রমাণ হয়।

নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের সাদিক ছিলেন একজন বিশেষজ্ঞ ডুবুরি। তিনি �

Leave a Comment