স্বাস্থ্য বাজেট: বরাদ্দ দ্বিগুণ, মাঠে কতটা?
স ব স থ য ব জ – স্বাস্থ্য বাজেটের বরাদ্দ একটি সংখ্যা কিছু বার শুনতে পাওয়া যায়— এবং এই সংখ্যা এখন গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে উঠেছে। বরাদ্দ বরাবর ৬৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা হয়েছে, যা বর্তমানে জিডিপির ১ শতাংশ ছাড়াও পৌঁছেছে এবং দ্বিতীয় বছরের মূল্য হিসাবে কমিয়ে আসা হয়েছে। এই দুই সংখ্যার মধ্যে মূলত বাজেট বৃদ্ধি এবং ব্যয়ের দুর্বলতা হল একটি গুরুতর বিষয়, যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট বৃদ্ধি হওয়ার পরিণতি দেখা যাচ্ছে।
বরাদ্দ ও ব্যয়ের মধ্যে বৃদ্ধি পেল বিস্তার
স্বাস্থ্য বাজেটের বরাদ্দ বৃদ্ধি ঘটলেও ব্যয় হয় না। বিগত সাত বছরে স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় গড়ে কেবল ৭৬ শতাংশ পরিমাণ ব্যয় করা হয়েছে। বাকি প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রতি বছর অব্যবহৃত থাকে। এই ব্যবস্থাপনা সংকট স্বাস্থ্য বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়। কিছু টাকার সাহায্যে আরও কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসক নিয়োগ করা যেত এবং দূর্গম অঞ্চলে ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা যেত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিজেই এই সত্যতা স্বীকার করেছে। তাদের ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন স্ট্র্যাটেজি ২০২৫-২০৩৪ সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে প্রমাণভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একীভূত করতে হবে। এই পরামর্শে স্বাস্থ্য বাজেট আরও প্রভাব বিস্তার করতে পারে যাতে স্বাস্থ্য খাতে প্রক্রিয়া উন্নত হয়।
আর্থিক প্রস্তাব ও সংস্কার করা হয়েছে
সামগ্রিক বাজেট বৃদ্ধির সাথে সাথে স্বাস্থ্যখাতের ভারসাম্য সাধন করতে হবে। এই প্রস্তাব আজ বাস্তবে একটি বিশাল উদ্যোগ হিসেবে গণ্য। দরিদ্র পরিবারগুলোর মুখে প্রতিটি বাজেট ঘোষণার পর অর্থনৈতিক আঘাত তৈরি হয়। তবে স্বাস্থ্য বাজেট এবং স্বাস্থ্য সেবার পরিচালনা পরিমাণে মাঝেমাঝে কমপক্ষে দুই শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে বলে সংখ্যায় বুঝা যায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরামর্শে স্বাস্থ্য বাজেট বৃদ্ধি একটি দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ গুরুত্ব