Bangladesh

সাতক্ষীরায় ৪০ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, আতঙ্কে উপকূলবাসী

স তক ষ র য় ৪০ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ এখনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যা উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলেছে। সাতক্ষীরা

Desk Bangladesh
Published August 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Techtaranga.com_17872099308029
Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. স তক ষ র য় ৪০ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ: উপকূলবাসীর আতঙ্ক বাড়ছে
  2. বাঁধ-ক্ষতির পরিসর ও স্থানীয় অভিযোগ
  3. পাউবোর প্রতিক্রিয়া ও বরাদ্দের অভাব
  4. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
  5. Related Reading
  6. Frequently Asked Questions

স তক ষ র য় ৪০ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ: উপকূলবাসীর আতঙ্ক বাড়ছে

Banglabeacon.com – স তক ষ র য় ৪০ পয়েন্টে বেড়িবাঁধ এখনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যা উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলেছে। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) আওতাধীন দুই বিভাগের মোট ৬৮৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে এই অনুপাত বছরজুড়েই সংস্কারকাজ চললেও কাটছে না। জোয়ারের পানির চাপে ধস, নতুন ফাটল, এবং সংস্কারের এক বছরের মধ্যেই একই স্থানে পুনরায় ভাঙন — এসব ঘটনা বাসিন্দাদের মধ্যে লোনা পানিতে প্লাবিত হওয়ার উৎকণ্ঠা তৈরি করছে।

বাঁধ-ক্ষতির পরিসর ও স্থানীয় অভিযোগ

কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়া, কালিন্দী ও ইছামতীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই বাঁধগুলো উপকূলীয় জনবসতি, কৃষিজমি ও মৎস্যঘেরের প্রধান রক্ষাকবচ। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং পাউবো কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির অভাবে সংস্কারকাজ টেকসই হচ্ছে না। ফলে সরকারি অর্থের অপচয় ও জনবসতির ঝুঁকি দুটোই বাড়ছে।

আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা গ্রামের সাবেক মেম্বার গোলাম রসুল বলেন, ‘বাঁধ সংস্কারের সময় মাটি ভরাট বা ঢাল সঠিকভাবে তৈরি করা হয় না। প্রয়োজনীয় স্থানে জিওব্যাগসহ সুরক্ষা ব্যবস্থা যথাযথ না থাকায় বাঁধ দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে জোয়ারের চাপে অল্প দিনেই আবার ভাঙন শুরু হয়।’

একই সুর নওয়াবেকি গ্রামের ইকবাল হোসেনের কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘সরকারি টাকা খরচ করে বাঁধ মেরামত করা হয়, কিন্তু কিছুদিন পর আবার সেই একই জায়গায় ভাঙন ধরে। কাজ ঠিকঠাক হলে বারবার একই পয়েন্টে সংস্কার করতে হবে কেন?’

পাউবোর প্রতিক্রিয়া ও বরাদ্দের অভাব

স তক ষ র য় ৪০ পয়েন্টের এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে পাউবো সূত্রে জানা যায়, বিভাগ-১-এর অধীনে ৩৮৩ কিলোমিটার এবং বিভাগ-২-এর অধীনে ৩০০ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, তার বিভাগের ১০ থেকে ১৫টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটিতে কাজ চলছে এবং বাকিগুলো দ্রুত মেরামত করা হবে।

অন্যদিকে বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া জানান, আশাশুনি ও শ্যামনগরের প্রায় ১৫ কিলোমিটার বাঁধ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ৫ কিলোমিটার এলাকায় কাজ চললেও বাকি ১০ দশমিক ৮৮ কিলোমিটারের জন্য নতুন বরাদ্দের অপেক্ষায় আছেন তারা। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জোয়ারের প্রবল চাপকে এই ক্ষতির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

স তক ষ র য় ৪০ পয়েন্টের ঝুঁকি কতটা গুরুতর?

৬৮৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের অন্তত ৪০ পয়েন্ট এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। জোয়ারের চাপে ধস ও ফাটল বাড়তে থাকলে উপকূলীয় জনবসতি, কৃষিজমি ও মৎস্যঘের সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে।

সংস্কারকাজ কেন টেকসই হচ্ছে না?

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং তদারকির অভাব মূল কারণ। পাউবো পক্ষ থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জোয়ারের চাপকেও কারণ হিসেবে দেখানো হয়।

বাকি ঝুঁকিপূর্ণ অংশের জন্য কখন কাজ শুরু হবে?

বিভাগ-২-এর ১০ দশমিক ৮৮ কিলোমিটার বাঁধের জন্য নতুন বরাদ্দের অপেক্ষা চলছে। বরাদ্দ পড়লে কাজ শুরু হবে বলে পাউবো সূত্রে জানা যায়।

Frequently Asked Questions

What is স তক ষ র য় ৪০ পয়?

স তক ষ র য় ৪০ পয় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does স তক ষ র য় ৪০ পয় matter?

স তক ষ র য় ৪০ পয় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment