শিশুশ্রম রোধে জন্মনিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ যন্ত্র
শ শ শ রম র ধ প – জন্মনিবন্ধন শিশুশ্রম রোধের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান। এটি শিশুর পরিচয় নির্ধারণ, অধিকার রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় সেবা গ্রহণের জন্য আবেদনপত্র হিসাবে কাজ করে। স্বাক্ষরিত না হলে শিশু শিশুশ্রমে প্রবেশ করার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।
২০২৬ সালের বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে কর্মসংস্থান ও শোষণ প্রতিরোধের জন্য বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। শিশুদের জন্মনিবন্ধন করা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেহেতু এটি তাদের বয়স পরিমাপ করার ক্ষমতা দেয়।
বাংলাদেশে নিবন্ধনের স্তর কতটা?
বর্তমানে দেশে জন্ম নিবন্ধনের গড় হার ৫০ শতাংশ। পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই হার মাত্র ৪০ শতাংশ। ফলে অনেক শিশু রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত পরিচয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
নিবন্ধন সুস্থ পরিচয় দিয়ে শিশুকে শ্রম বাজারে প্রবেশ করতে বাধা দিবে। রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ শিশুর বয়স প্রমাণ করতে সক্ষম হবে এবং তাদের প্রতি শোষণ কমিয়ে আসা সম্ভব হবে।
গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “আইন সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত হলে শিশুশ্রম ও শিশু বঞ্চনার হার কমে আসবে।”
২০০৪ সালে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন সংশোধন করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিবন্ধনের আইনগত দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জন্মগ্রহণ করা শিশুদের আওতায় আনার সম্ভাবনা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
এই পরিবর্তন দ্বারা সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস (সিআরভিএস) দশকের শতভাগ নিবন্ধন লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেবে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৮.৭ এর লক্ষ্য বাস্তবায়নে গতি আনয়ন সম্ভব হবে।