রংপুর মেডিকেলে বেহাল দশা
র প র ম ড ক ল - র প র ম ড ক সংকট এখন আর শুধু শয্যা-অভাবের কথা নয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাঙ্গণে জলাবর্জনার পাহাড়, ড্রেনে উপচে পড়া মলমূত্রযুক্ত
Table of Contents
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তির নতুন চিত্র
Banglabeacon.com – র প র ম ড ক ল – র প র ম ড ক সংকট এখন আর শুধু শয্যা-অভাবের কথা নয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাঙ্গণে জলাবর্জনার পাহাড়, ড্রেনে উপচে পড়া মলমূত্রযুক্ত পানি, আর নিয়ন্ত্রণহীন কুকুরের ঘোরাঘুরি — এই তিনটি বিষয় মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এমন এক পরিবেশ যেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে, ধারণক্ষমতার দশ গুণ বেশি রোগী থাকার কারণেই এমন অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে।
মেডিসিন ওয়ার্ডে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ
গাইনি, শিশু ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন বিভাগ সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে ভয়ংকর দৃশ্য। তবে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডের। সেখানে টয়লেটের নর্দাম পানি পুরো ওয়ার্ড জুড়ে স্রোতের মতো প্রবাহিত হচ্ছে। এতটেন্দ্্র দুর্গন্ধ যে ওয়ার্ডে অবস্থান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একশো রোগীর জন্য মাত্র একটি টয়লেট থাকলেও তার দরজা ও সিটকিনি ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে।
কুষ্টিয়ার ভূরুঙ্গামারী থেকে আসা এক রোগীর স্বজন জানান, শয্যা না পেয়ে তারা মেঝেতেই পড়ে আছেন। পাশেই টয়লেটের দুর্গন্ধে নাকে কাপড় বাঁধে রাখতে হচ্ছে।
“পেটিং বেডে থেকেও দুর্গন্ধে টেকা যাচ্ছে না। ডাক্তাররা দিনে দু-একবার এসে পরীক্ষার তালিকা ধরিয়ে দেন। হাসপাতাল থেকে শুধু প্যারাসিটামল ছাড়া আর কোনো ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না।” — নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে আসা মমিন বেগম
“হাসপাতালটি নামেই বড়, কিন্তু সহায়-সম্বলহীনদের জন্য এখানে সরকারি কোনো সুবিধা নেই বললেই চলে।” — রংপুরের বদরগঞ্জ থেকে আসা মমতাজ মিরা
শয্যা-সংকট ও পরিবেশগত বিপর্যয়
এক হাজার শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে দু হাজারের বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। অতিরিক্ত চাপের ফলে করিডোর, বারান্দা ও মেঝেতে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে কুকুরের বিচরণ রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে। ওয়ার্ডের এলোমেলো জায়গায় পড়ে থাকা উচ্ছিষ্ট খাবারের পচা গন্ধে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। র প র ম ড ক সংক্রান্ত এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে চলমান হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্স ও চিকিৎসকরা স্বীকার করেন, জনবল সংকট এবং রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। ওষুধের ঘাটতির বিষয়টিও তারা মানতে বাধ্য।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান মুঠোফোনে জানিয়েছেন, হাসপাতালের সমস্যাগুলো সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। দ্রুত সময়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং রোগীদের সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কত শয্যা আছে এবং কত রোগী ভর্তি থাকেন? হাসপাতালে মোট এক হাজার শয্যা রয়েছে। তবে প্রতিদিন গড়ে দু হাজারের বেশি রোগী ভর্তি থাকেন, যা ধারণক্ষমতার দশ গুণেরও বেশি চাপ তৈরি করে।
রোগীরা কীভাবে চিকিৎসা নিতে পারবেন? বর্তমান পরিস্থিতিতে শয্যা না পেয়ে রোগীরা করিডোর, বারান্দা বা মেঝেতে চিকিৎসা নিতে বাধ্য। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পরিবর্তন দেখা যায়নি।
ওষুধের ব্যবস্থা কেমন? রোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী হাসপাতাল থেকে শুধু প্যারাসিটামল পাওয়া যাচ্ছে। চিকিৎসকরাও ওষুধের ঘাটতি স্বীকার করেছেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is র প র ম ড ক ল?
র প র ম ড ক ল is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does র প র ম ড ক ল matter?
র প র ম ড ক ল matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.