Bangladesh

মাছ রপ্তানি নিয়ে বড় ঘোষণা দিলেন মন্ত্রী

মাছ রপ্তানি নিয়ে মন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ম ছ রপ ত ন ন য় - বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআই) পরিদর্শন করার পর

Desk Bangladesh
Published June 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মাছ রপ্তানি নিয়ে মন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

ম ছ রপ ত ন ন য় – বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআই) পরিদর্শন করার পর মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশে মাছ চাষ বর্তমানে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং এখন পর্যন্ত রপ্তানি করার সক্ষমতা রয়েছে। এই ক্ষেত্রে মন্ত্রী তীক্ষ্ণ মনোনিবেশ করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে মাছ পাঠানোর জন্য খাদ্যের মান বিশ্বমানের সমান করে তুলতে হবে। এ কারণে মাছ রপ্তানি এখন বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করছে।

মৎস্য খাতের উন্নয়ন সম্পর্কে মন্ত্রীর পরামর্শ

মন্ত্রী বিএফআই-এর খামারে পুকুর দেখে সেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভায় অংশ গ্রহণ করেন। সভাপতিত্ব করেন বিএফআই-এর মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন সভায় উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে আলাপ করেন যাতে মাছ রপ্তানি খাতে সুষ্ঠু গবেষণা এবং প্রযুক্তি প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়। তিনি জোর দেন যে, চাষ থেকে বিক্রি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “মাছ রপ্তানি করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো মান নিয়ন্ত্রণ। উৎপাদন থেকে বিক্রি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এটি বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি খাত আন্তর্জাতিক মানের সাথে মুকাবিলা করতে সক্ষম হবে।” মন্ত্রী এই পরিদর্শনের মাধ্যমে জানান যে, সরকার বর্তমান প্রচেষ্টার মধ্যে মাছ রপ্তানি ক্ষেত্রে আরও গভীর বিশ্বমানের সমান প্রয়োজন।

মাছ রপ্তানি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি

মন্ত্রী আরও বলেন যে, মাছ রপ্তানি নিয়ে বিশ্বমান বাড়ানোর জন্য দেশের প্রাথমিক আপস করা সম্ভব নয়। তিনি জানান যে, মাছ রপ্তানি করার জন্য এখন দেশে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কাজে লাগছে। তার মধ্যে আপস করা, প্রক্রিয়া কর্মকর্তাদের কাজের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ বিস্তার হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, যদি মাছ রপ্তানি করার সময় কোনও ধাপে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা হয় না, তবে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে দেশ দূরে সরে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এটি মাছ রপ্তানি খাত প্রতিযোগিতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম হবে।

সরকার গৃহীত কোনও পরিকল্পনার মধ্যে মাছ রপ্তানি করার জন্য আপস করা প্রয়োজন। মন্ত্রী আরও বলেন যে, এই প্রক্রিয়া মাছ রপ্তানি বিষয়টি স্থায়ী করে তোলার জন্য কমপক্ষে তিনটি কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে একটি সুষ্ঠু সংস্থা গঠন করা হবে যা বিশ্বমানের মাছ রপ্তানি করতে সক্ষম হবে। দ্বিতীয় ধাপে সেই সংস্থার জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরি করা হবে যেন মাছ রপ্তানি বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠে।

তৃতীয় ধাপ হল�

Leave a Comment