বিচ্ছিন্ন সড়ক দ্বারা বান্দরবান অবরোধে প্রাণহানি বৃদ্ধি
প হ ড়ধস ৩ জ ল য় – বৃষ্টিপাতের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং বান্দরবানে পাহাড় ধসের ফলে কমপক্ষে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাহাড় ধস ঘটনায় কক্সবাজারে বিশ জন মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে আট জন রোহিঙ্গা শিশু। বান্দরবানে লাল ব্রিজ এলাকায় পাহাড় ধসে সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এলাকার সাথে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ড ও নগরে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজারে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি
গত দুই দিনে কক্সবাজার সদর ও উখিয়ায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সদর উপজেলার দরিয়ানগরে নাছিমা আক্তার লিমা (২৭) নামে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। তার স্বামী জসিম উদ্দিন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। উখিয়ায় পাহাড় ধসে পড়া মাদ্রাসার নিচে পাঁচ শিশু মৃত হয়েছে। এতে রাশিদা বেগম, উম্মে নেজাতুল, উম্মে সালমা ও উমাইসা বিবি নিহত।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার জানান, এখন পর্যন্ত দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। বর্তমানে দুটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট উদ্ধারকাজে নিযুক্ত। আমি ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।
বান্দরবানে সড়ক অবরোধে আপানি প্রতিকূল অবস্থা
বুধবার ও মঙ্গলবারে টানা বৃষ্টির ফলে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়�ের লাল ব্রিজ এলাকায় পাহাড় ধস ঘটে। এতে সড়কে মাটি ও গাছ পড়ে দূরপাল্লার বাস ও সব প্রকার গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়ক বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিস মাটি সরানোর কাজ শুরু করেছে কিন্তু পুনর্গতিতে সময় লাগবে।
চট্টগ্রামে মাইকিং ও উদ্ধার কাজ
সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে বুধবার সকালে পাহাড় ধসে এক বছর বয়সী শিশু আশরাফুল ইসলাম মৃত হয়েছে। তার মা আহত হন। কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিপর্যয়ের পরিস্থিতি নিয়ে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অবৈধ পাহাড় কাটার ফলে ক্যাম্পের অনেক এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। এটি একটি মানবসৃষ্ট বিপর্যয়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম জান