বরিশালের ডিসি অপসারণ: দুর্নীতির অভিযোগে সামগ্রিক পরিবর্তন
দ র ন ত র অভ য – বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনকে দুর্নীতির অভিযোগে বরিশালের অপসারণ ঘটেছে। সোমবার (১ জুলাই) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে তাকে সরিয়ে নতুন কর্মসূত্রে ন্যস্ত করা হয়। এ অপসারণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য স্বস্তি ফিরে আসে। বরিশালে জেলা প্রশাসনের নতুন প্রশাসক হিসেবে মো. মামুন খন্দকারকে নামানো হয়।
অভিযোগ এবং তদন্তের প্রক্রিয়া
খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বেশ কয়েক মাস ধরে চলছিল। এই অভিযোগগুলো গত মে মাসে প্রকাশিত হওয়া বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তা বিস্তার লাভ করে। অভিযোগগুলোর মধ্যে মূলত রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকক্ষ পরিচালনায় এবং নির্বাচন সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক টিমের বরাদ্দে অতিক্রম করা টাকা অন্তর্ভুক্ত। তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমগুলো দ্বারা নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা সরাসরি তদন্ত শুরু করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে।
প্রতিক্রিয়া ও কর্মকর্তাদের আতঙ্ক
অভিযোগ কমিশন গঠনের পর খায়রুল আলম সুমনের কার্যালয়ে নানা ধরনের আতঙ্ক দেখা দেয়। স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে দুর্নীতির তথ্য ফাঁসের সন্দেহে তার এক ডজনের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উপজেলায় বদলি করা হয়। তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে কর্মকর্তাদের কিছু সংখ্যাগ্রাহী ক্ষোভ জানানো হয়। চাকরি হারানোর ভয়ে তারা মুখ খুলতে রাজি হননি, কিন্তু অভিযোগ ছড়িয়ে পড়েছিল।
দুর্নীতি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য
অভিযোগগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিস্তারিত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বরিশালে হিজলা, মুলাদী এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোটকক্ষ স্থাপনের অভিযোগ ছিল। এতে প্রায় ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা প্রকাশ্যে আসে। অন্যান্য অভিযোগগুল