প্রধানমন্ত্রী দুর্গম জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়া পরিদর্শনে বিশেষ সম্মান জনায়
দ র গম জঙ গল স ন – দুর্গম জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রীষ্মকালীন মহড়াতে সেনাসদস্যদের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পূর্ব রহমতপুর এলাকায় আঘাতপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের সম্মান প্রকাশ করে তিনি পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সুষ্ঠু কার্যক্রমে যোগদান করেন। সেনাবাহিনীর নৃত্য আয়োজন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তিনি গভীর সম্মান প্রকাশ করেন যা কার্যকর রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের প্রকাশ।
দুর্গম জঙ্গলে সেনাসদস্যদের প্রশিক্ষণ ও সম্মুখীন চ্যালেঞ্জ
মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী দুর্গম জঙ্গলে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ ও কৌশলগত কার্যক্রমগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় সেনা কর্মকর্তারা মহড়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন যা সম্প্রতি গৃহযুদ্ধে কৌশলগত প্রতিক্রিয়া বিষয়ে তাদের কার্যকলাপের তথ্য সংক্ষিপ্ত করে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ ভাবে অনুভব করেন যে দুর্গম জঙ্গলে সেনাসদস্যদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গৃহযুদ্ধের পরিবেশে তাদের প্রতি যে সম্মান প্রকাশ করা হয়।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের খাবার গ্রহণ করেন যা যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা হয়। মোম জ্বালিয়ে তৈরি রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয়। সেনাসদস্যদের কৌশলগত কার্যক্রমগুলো এবং দুর্গম জঙ্গলে তাদের সম্মুখীন পরিবেশ সম্পর্কে তিনি আরও বিস্তারিত জানতে চান।
সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
প্রধানমন্ত্রীর সাথে দুর্গম জঙ্গলে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণে সামিল হওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন যার মধ্যে রয়েছে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক। তাঁদের সাথে সাক্ষাত করে তিনি সেনাবাহিনীর প্রতি গৃহযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রস্তাব দেন।
দুর্গম জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আরও সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে জঙ্গলে সেনাসদস্যদের কাজের মাধ্যমে প্রতি সামাজিক গুরুত্�