চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় জামায়াত আমির
চট টগ র ম র বন য – সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন যে বর্তমানে চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলেও এটি একটি বৃহৎ সমস্যা যা দীর্ঘস্থায়ী প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন। এ সংক্রান্ত অঙ্গীকার করা হয়েছে কিন্তু কাজের অগ্রগতি এখনও নির্দেশিকা প্রস্তুত করা হয়নি। শফিকুর রহমান জানান যে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকার মানুষদের পুনর্গঠনের জন্য সরকার সামনে দায়িত্ব নিয়েছে এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রয়োজন স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি আরো বলেন যে এই বন্যার ফলে বিশাল সম্পত্তি হারিয়েছে এবং স্থানীয় মানুষদের মানসিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে যা অত্যন্ত গুরুতর। অতএব এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সময়ের প্রয়োজন হবে।
বন্যা পরিস্থিতির উদ্বেগ
১০ জুলাই সকালে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শফিকুর রহমান বলেন যে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ক্ষুদ্র হলেও অনেকে বন্যা দ্বারা আর্থিক ও সামাজিক ধ্বংস অনুভব করছেন। তিনি জানান যে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় নালা ও নর্দমা উপচে পানি জমে মানুষ তাদের জীবনের সম্পত্তি হারিয়েছে। মানবেতর সম্পদ বিপর্যস্ত হওয়ার কারণে মানুষ পুনর্বাসনের জন্য অনেক সময় প্রয়োজন। এখনও চট টগ র ম র বন যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
“জনগণের এসব সমস্যা সমাধান করা মূলত সরকারের দায়িত্ব। আর বিরোধী দল হিসেবে এই সমস্যাগুলো সরকারের নজরে আনা এবং জনগণের পক্ষে দাবি আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্বই পালন করছি।”
ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা
পরে শফিকুর রহমান চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন যে সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি, ফসল ও সহায় সম্পদ হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। এখন চট টগ র ম র বন যে সরকার দ্বারা ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের প্রয়োজন তা স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান যে বন্যা বিপর্যস্ত মানুষদের পুনর্গঠনের জন্য স্থানীয় স্তরে সামাজিক সহায়তা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম এলাকার মানুষদের স্থায়ী সহায়তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা আর্থিক সম্মান ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু বন্যা পরিস্থিতি চট টগ র ম র বন যে মানুষ দ্বারা প্রতিক্রিয়া প্রদানের জন্য এখনও অনেক সময় আছে।
তিনি আরো বলেন যে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত এলাকায় স্থানীয় মানুষদের বিপর্যস্ত হওয়ার কারণে অনেকে কাজ ছাড়িয়ে বাড়ি পৌঁছতে পারছেন না। তাদের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে যা সামাজিক গুরুত্ব প্রদর্শন করে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার অঙ্গীকার অনুসার